মুখের ভেতর অসংখ্য সূঁচ, বলিরেখামুক্ত ত্বকের জন্য এ কী করলেন মীরা কাপুর!

বলিউড অভিনেতা শাহিদ কাপুরের স্ত্রী মীরা কাপুরের একটি সাম্প্রতিক ভিডিও সমাজমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, মীরার মুখের ত্বকে অসংখ্য সূঁচ ফোটানো রয়েছে এবং অত্যন্ত শান্তভাবে তিনি শুয়ে আছেন। মুখ থেকে যখন একে একে সূঁচগুলো তুলে নেওয়া হচ্ছিল, তখনও তাঁর মুখে যন্ত্রণার কোনও ছাপ ছিল না। এই দৃশ্য দেখে নেটাগরিকদের মধ্যে তুমুল কৌতুহল ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে যে, কেন তিনি এই যন্ত্রণাদায়ক পদ্ধতি বেছে নিলেন।
কসমেটিক আকুপাংচার ও এর কার্যকারিতা
আচমকা কোনও দুর্ঘটনার কারণে নয়, বরং ত্বক পরিচর্চার অংশ হিসেবেই মীরা কাপুর এই বিশেষ পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন, যার নাম ‘কসমেটিক আকুপাংচার’। এটি একটি প্রাচীন ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতি। মীরা জানিয়েছেন, এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত সূঁচগুলো অত্যন্ত সূক্ষ্ম হওয়ায় এতে যন্ত্রণার লেশমাত্র থাকে না এবং পুরো প্রক্রিয়াটি বেশ আরামদায়ক। বর্তমান যুগে কৃত্রিম ফিলার্স বা ইনজেকশনের তুলনায় এই প্রাকৃতিক ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন পদ্ধতিটি ত্বক সতেজ রাখার জন্য বেশ কার্যকর।
ত্বকের পরিবর্তন ও সম্ভাব্য প্রভাব
কসমেটিক আকুপাংচার ত্বকের ভেতরের কোলাজেন উৎপাদন বৃদ্ধি করে, যা প্রাকৃতিকভাবে বলিরেখা দূর করতে এবং ত্বকের টানটান ভাব ও লাবণ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। মীরা কাপুর জানান, অতীতে কাঁধে চোট পাওয়ার কারণে তাঁর মুখের দুই দিকে এক ধরণের অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছিল, যা দূর করতেই তিনি এই চিকিৎসার সাহায্য নিচ্ছেন। এর ফলে ইতিমধ্যেই তাঁর মুখের অতিরিক্ত ফোলাভাব কমে এসেছে এবং ত্বকে দৃশ্যমান সামঞ্জস্য ফিরে এসেছে। তারকাদের এই ধরণের আধুনিক ও নিরাপদ রূপচর্চা আগামীদিনে সাধারণ মানুষের মধ্যেও প্রাকৃতিক রূপচর্চার প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।