৩০ বিধায়ক, ৩ ঘণ্টার অপেক্ষা! রাজ্যসভা নির্বাচন নিয়ে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে তুমুল লড়াই

৩০ বিধায়ক, ৩ ঘণ্টার অপেক্ষা! রাজ্যসভা নির্বাচন নিয়ে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে তুমুল লড়াই

মধ্যপ্রদেশে রাজ্যসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে তীব্র লড়াই চলছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস তাদের বিধায়কদের নিয়ে একটি ‘সেফ জোন’ তৈরির চেষ্টা করছে। মঙ্গলবার এই প্রচেষ্টার অঙ্গ হিসেবে কংগ্রেসের প্রায় ৩০ জন বিধায়ক বেঙ্গালুরু যাওয়ার জন্য ভোপাল বিমানবন্দরে পৌঁছান। কিন্তু তাদের বিমানটিকে ৩ ঘণ্টা পর্যন্ত ওড়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি।

বিমান চলাচলে বাধা ও কংগ্রেসের অভিযোগ

কংগ্রেসের অভিযোগ, বিচলিত বিজেপি সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। সেই কারণেই বিধায়কদের বেঙ্গালুরু নিয়ে যাওয়ার বিশেষ বিমানটিকে ৩ ঘণ্টা উড়ানের অনুমতি দেওয়া হয়নি। যদিও পরে বিমানটিকে উড়ানের অনুমতি দেওয়া হয় এবং কংগ্রেসের ৩০ জন বিধায়ককে নিয়ে বিমানটি বেঙ্গালুরুর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

ক্রস ভোটিং এড়াতে কংগ্রেসের পদক্ষেপ

জানা গিয়েছে, সম্ভাব্য ক্রস ভোটিং এড়াতে কংগ্রেস তাদের বিধায়কদের বেঙ্গালুরুর ওয়ান্ডারলা রিসোর্টে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু ভোপাল বিমানবন্দরেই এই পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হয়। বিধায়কদের বহনকারী বিমানটি ওড়ার অনুমতি পায়নি। তবে ৩ ঘণ্টা পর বিমানটি উড়ানের অনুমতি পায়।

গান্ধীবাদী নারী দেখে ভয় পেল বিজেপি!

অন্যদিকে, মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস প্রার্থী মীনাক্ষী নটরাজনের বিষয়টিকে কেন্দ্র করে নির্বাচন আধিকারিকের কক্ষের বাইরে কংগ্রেস নেতাদের ভিড় জমতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতা উমাং সিঙ্গার সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ‘এক্স’-এ একটি ভিডিও পোস্ট করে লিখেছেন, “একজন গান্ধীবাদী নারীকে দেখে ভয় পেয়ে গেল বিজেপি! কংগ্রেসের জয় এবং একজন সৎ নারী প্রার্থীর প্রতি ক্রমবর্ধমান গ্রহণযোগ্যতায় আতঙ্কিত বিজেপির আসল চেহারা আজ মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় উন্মোচিত হয়েছে।”

তিনি আরও লেখেন, যখন কংগ্রেসের জয় স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, তখন বিজেপি সবরকমের সাম, দাম, দণ্ড, ভেদের আশ্রয় নিয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।

‘নারী অপমান’, এটাই বিজেপির আসল পরিচয়

তিনি লেখেন, “বিজেপির গুন্ডারা আজ গণতন্ত্রের মন্দিরকে রাজনৈতিক আখড়া বানানোর চেষ্টা করেছে। স্লোগান ‘নারী বন্দনা’র, কিন্তু চরিত্র ‘নারী অপমান’য়ের, এটাই বিজেপির আসল পরিচয়। আমি নিজে বিধানসভায় পৌঁছে গেছি। এবার দেখা যাক বিজেপি গণতন্ত্রের এই লড়াই কতদূর পর্যন্ত গুন্ডামি এবং চাপের রাজনীতির সাহায্যে লড়তে চায়।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *