২০ বছরের তরুণীদের টার্গেট করে স্কলারশিপের টোপ, এপস্টেইনের যৌন সাম্রাজ্যের হাড়হিম করা পর্দাফাঁস
February 20, 20269:02 pm

যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের নারকীয় অন্ধকার জগতের লোমহর্ষক অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনলেন নির্যাতিতা রিনা ওহ। মাত্র ২১ বছর বয়সে কীভাবে স্কলারশিপের টোপ দিয়ে তাঁকে ফাঁদে ফেলা হয়েছিল এবং পরবর্তী ৫-৬ বছর ধরে কীভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চলত, তার প্রতিটি পরত উন্মোচন করেছেন তিনি।
যেভাবে চলত শোষণের জাল
- মানসিক দুর্বলতাকে হাতিয়ার: শৈশবের ট্রমার কথা জানতে পেরে রিনাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিতেন এপস্টেইন। ২১ বছরের তরুণীকে ‘বুড়ি’ বলে কটাক্ষ করে হীনম্মন্যতায় ভোগানো হতো।
- স্কলারশিপের টোপ: বিদেশে পড়াশোনার জন্য বিনা কারণে স্কলারশিপের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তরুণীদের প্রলুব্ধ করা হতো। পরে সেই সাহায্য বন্ধের হুমকি দিয়ে তাঁদের বাধ্য করা হতো যৌনদাসে পরিণত হতে।
- প্রভাবশালীদের আনাগোনা: মেসেজ রুমের আড়ালে চলত রমরমা দেহব্যবসা। যেখানে রাজপরিবারের সদস্য অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসরের মতো প্রভাবশালীদের যাতায়াত ছিল বলে অভিযোগ।
প্রাণনাশের হুমকি ও বন্দিদশা
রিনা জানিয়েছেন, এপস্টেইনের গোপন তথ্য জেনে ফেলায় তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। পালানোর পথ বন্ধ করতে আর্থিক ও প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি করা হতো। সম্প্রতি এই চক্রে জড়িত প্রভাবশালীদের গ্রেপ্তারে স্বস্তি প্রকাশ করে রিনা অন্য নির্যাতিতাদের একজোট হয়ে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন।