ইরানের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তির দোরগোড়ায় আমেরিকা! ট্রাম্পের বড় ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে আলোড়ন

ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই আকস্মিক ও বড় ঘোষণা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। হোয়াইট হাউসের অদূরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিদ্যমান উত্তেজনার মধ্যেই এমন একটি ঘোষণা ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরেই কূটনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, পাকিস্তান, তুরস্ক, মিশর, জর্ডান এবং বাহারিনের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক ও ফলপ্রসূ আলোচনার পরই এই সমঝোতা সম্ভব হয়েছে। আঞ্চলিক শক্তিগুলোর এই সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ইরান আমেরিকার শান্তি প্রস্তাবে নমনীয় অবস্থানে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই ইউরেনিয়াম কর্মসূচি সীমিত করার প্রস্তাবে রাজি হওয়া বিশ্ব রাজনীতিতে বড় ধরনের কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে গণ্য হতে পারে। দীর্ঘদিনের বৈরিতা কাটিয়ে যদি ইরান এই চুক্তিতে চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষর করে, তবে তা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে অনেকখানি শিথিল করবে এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারের ঝুঁকি কমিয়ে আনবে। এখন দেখার বিষয়, ইরান শেষ পর্যন্ত এই চুক্তির শর্তগুলো কতটা কঠোরভাবে পালন করে এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কী হয়।