স্বস্তি মিলতে পারে পকেটে, তেলের দাম কমার বড় ইঙ্গিত দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের আকাশছোঁয়া দাম নিয়ে বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া তীব্র আতঙ্কের মাঝেই এবার বড় আশার আলো দেখালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত সপ্তাহে তেলের দামে বড়সড় ধস নামার যে ভবিষ্যদ্বাণী তিনি করেছিলেন, তা এবার সত্যি হতে চলেছে বলে ইঙ্গিত মিলেছে। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে একটি সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি এই পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে দাবি করেছেন তিনি।
বর্তমানে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ধারাবাহিকভাবে ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলারের উপরে রয়েছে। এর ফলে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ব্রিটেনের মতো একাধিক দেশে জ্বালানির দাম রেকর্ড ছুঁয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের পকেটে। খোদ আমেরিকাতেও জ্বালানির দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোয় বিশ্বব্যাপী তীব্র মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কা করছিলেন বিশেষজ্ঞরা।
ট্রাম্পের ইঙ্গিত ও তেলের বাজার
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, আমেরিকা ও ইরান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি শান্তি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং এই বিষয়ে দ্রুতই বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তাঁর মতে, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি করতে অত্যন্ত মরিয়া। ইরানের এই যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান ঘটলে এবং দেশটির বিশাল তেলের ভাণ্ডার বিশ্ববাজারে উন্মুক্ত হলে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ এক ধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যাবে।
বিশ্ব অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব
এই চুক্তিটি সফল হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের কৃত্রিম সংকট কেটে যাবে এবং দাম দ্রুত সাধারণের নাগালের মধ্যে চলে আসবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, তেলের দাম কমলে বিশ্বজুড়ে পণ্য পরিবহণ খরচ হ্রাস পাবে, যা সরাসরি নিয়ন্ত্রণে আনবে লাগামহীন মুদ্রাস্ফীতিকে। ভারতসহ এশিয়ার বাজারেও এর ফলে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা ধুঁকতে থাকা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় স্বস্তি দেবে।