এক কোটিরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এই বিষহীন সাপ কেন কাড়াকাড়ি পড়ে যায় জানেন

উত্তরপ্রদেশের মিরাট সহ গঙ্গা সংলগ্ন বালুকাময় এলাকায় দেখা মেলে বিরল প্রজাতির ‘স্যান্ড বোয়া’ বা দুমুখো সাপের। আন্তর্জাতিক বাজারে এই সাপের চাহিদা আকাশচুম্বী হওয়ায় এর চোরাচালান চক্রও বেশ সক্রিয়। বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই সাপের লেজ দেখতে অনেকটা মুখের মতো হওয়ায় একে দুমুখো সাপ বলা হয়। যদিও এটি সম্পূর্ণ বিষহীন, তবুও বিদেশে এক থেকে চার কোটি টাকা পর্যন্ত এর দাম ওঠে। মূলত যৌন উত্তেজক ওষুধ তৈরি এবং প্রসাধনী সামগ্রী বানাতে এর চামড়া ও শরীরের অংশ ব্যবহৃত হয় বলে দাবি করা হয়।
ভারত ছাড়াও চীন ও আমেরিকায় এই সাপের বিশাল বাজার রয়েছে। তান্ত্রিক ক্রিয়া এবং এইডস নিরাময়ের ওষুধ তৈরির গুজবে এই সাপের পাচার বেড়েই চলেছে। উত্তরপ্রদেশ ছাড়াও বিহার, হরিয়ানা ও বাংলায় এই সাপের দেখা মেলে। বিরল প্রজাতির এই প্রাণীটি সংরক্ষিত পর্যায়ভুক্ত হওয়ায় এটি ধরা বা বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। পাচারকারীরা কোটি কোটি টাকায় ব্যবসা করলেও বন দপ্তরের নজরদারিতে প্রায়শই ধরা পড়ে যাচ্ছে তারা। প্রতিকূল পরিবেশ খুঁড়ে এই সাপ ধরতে সপুড়েরা দিনরাত পরিশ্রম করে, যা প্রকৃতির ভারসাম্য নষ্ট করছে।