ইরান কি পিছু হঠছে? বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড রুখতে ট্রাম্পের বড় দাবি

ইরানে চলমান অস্থিরতার মধ্যেই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার তিনি জানিয়েছেন, তেহরান বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে ট্রাম্পের এই দাবি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন জল্পনার জন্ম দিয়েছে।
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি ও দাবি
সম্প্রতি ইরানে সরকার বিরোধী আন্দোলন দমনে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল তেহরান প্রশাসন। এর প্রেক্ষিতেই ইরানকে কড়া ভাষায় সতর্ক করেছিলেন ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানান, আন্দোলনকারীদের ওপর দমনপীড়ন চালানো হলে তার ‘পরিণাম’ ভোগ করতে হবে ইরানি নেতাদের। এমনকি প্রয়োজনে সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন তিনি। বুধবার হোয়াইট হাউস থেকে ট্রাম্প বলেন, “আমাদের জানানো হয়েছে ইরানে হত্যা বন্ধ হচ্ছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে সেখানে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আর কোনো পরিকল্পনা নেই।”
তেহরানের অনড় অবস্থান
ট্রাম্প নমনীয়তার কথা বললেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেনি-এজেই জানিয়েছেন, আটক বিক্ষোভকারীদের দ্রুত বিচার ও সাজা কার্যকর করা হবে। একইসঙ্গে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে আমেরিকার হস্তক্ষেপের কড়া জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে তেহরান।
যুদ্ধের মেঘ ও আঞ্চলিক অস্থিরতা
মূল্যবৃদ্ধি এবং ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ইরানিদের এই স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন এখন বিশ্ব রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে। এর মাঝেই কাতার থেকে মার্কিন বায়ুসেনা ঘাঁটি খালি করার নির্দেশ এবং আমেরিকা-ইরান বাগযুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ডের দাবি, এই অশান্তির নেপথ্যে রয়েছে আমেরিকা ও ইসরায়েলের উস্কানি।