কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে এই খাবারগুলো খেতে পারেন- ১ঝলক

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে এই খাবারগুলো খেতে পারেন- ১ঝলক

অফিসে ঢোকার চাপ কিংবা ব্যস্ত শিডিউলের বাস ধরার তাড়া—সব চাপ অনেক সময় অসহায় হয়ে পরে কোষ্ঠকাঠিন্যের কাছে। ফাইবারযুক্ত খাবার কম খাওয়া, পর্যাপ্ত জল পান না করা কিংবা ফ্যাটযুক্ত খাবার বেশি খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগতে হয়। ঘুম থেকে উঠেই এ সমস্যায় ভোগা অনেকে তাদের দিনের কাজে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন। অনেকক্ষেত্রে এ সমস্যায় ভোগা ব্যক্তি মলত্যাগে চাপ দেওয়ার সময় কষ্ট অনুভব করেন। পেট ফোলা বা অস্বস্তিতে ভোগার পাশাপাশি মলদ্বার থেকে রক্তপাতের ঘটনাও ঘটে।

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা এড়াতে হলে ঘুম থেকে উঠে কয়েকটা জিনিস খেতে পারেন। যেগুলোতে বাথরুমে গেলে মলত্যাগে আর কোনও সমস্যা হবে না।

কুসুমগরম জল দিয়ে লেবুর রস

খালি পেটে এক গ্লাস কুসুমগরম জল শরীরের অর্ধেক সমস্যা দূর করে দিতে পারে। এক চামচ পাতিলেবু রস মিশিয়ে দিলে আরও জলদি পেট সাফ হয়ে যায়। ঘুম থেকে উঠে এই পানীয় খেলে শরীরে হাইড্রেশন ফিরে আসবে এবং বাওয়েল মুভমেন্টে কোনও সমস্যা হবে না।

আগের দিন রাতে ৬-৮টা কালো কিশমিশ বা ২টা ডুমুর জলতে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে খালি পেটে এগুলো খান। এই ড্রাই ফ্রুটসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে। খালি পেটে এই ভেজানো ফল এবং এক গ্লাস জলসহ খেলেই পেট পরিষ্কার হয়ে যাবে নিমেষে।

পাকা পেঁপে বা কলা

পেঁপের মধ্যে পাপাইন নামের একটি এনজাইম রয়েছে, যা হজমে সহায়তা করে। অন্যদিকে কলায় ফাইবার ও পটাশিয়াম রয়েছে। কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগলে পাকা পেঁপে বা পাকা কলা সকালে খেতে পারেন।

ঘি দিয়ে গরম দুধ

রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কিংবা ঘুম থেকে উঠে এই পানীয় খেতে পারেন। ঘিয়ের মধ্যে হেলদি ফ্যাট রয়েছে, যা হজমে সহায়তা করে। অন্যদিকে, দুধে ল্যাক্টোজ় রয়েছে, যা বাওয়েল মুভমেন্ট সাহায্য করে। ল্যাক্টোজ় ইনটলারেন্ট হলে বা খালি পেটে দুধ খেতে না চাইলে গরম জলতে ঘি মিশিয়ে খেতে পারেন।

ভেজানো চিয়া সিডস

পেট সাফ করতে চিয়া সিডও কার্যকর। এক গ্লাস জলতে এক চামচ চিয়া সিডস ১০-১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। তারপরে সেটি পান করুন। চিয়ার মধ্যে ফাইবার রয়েছে, যা মলকে নরম করে। তা ছাড়া চিয়া সিডের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে জল পান করতে হয়। তাই ভেজানো চিয়া সিডস খেলে সহজেই পেট সাফ হয়ে যায়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *