অরিজিৎ থেকে নেহা: রিয়্যালিটি শো-তে হারলেও সাফল্যে টেক্কা দিয়েছেন বিজয়ীদের!

মুম্বই: গানের রিয়্যালিটি শো-র ট্রফি জোটেনি কপালে, কিন্তু আজ দেশজুড়ে তাঁদেরই জয়গান। অরিজিৎ সিং থেকে নেহা কক্কর— বলিউডের প্রথম সারির এই গায়করা প্রমাণ করেছেন, বিজয়ী না হয়েও সাফল্যের শিখরে পৌঁছানো সম্ভব। সম্প্রতি অরিজিৎ সিংয়ের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে যখন নেটপাড়ায় শোরগোল, তখনই সামনে এল এক চমকপ্রদ তালিকা।
১৮-র হার থেকে বিশ্বজয়: অরিজিৎ সিং
২০০৫ সালে ‘ফেম গুরুকুল’-এ সেরা ছয়ে পৌঁছেও বাদ পড়েছিলেন মুর্শিদাবাদের অরিজিৎ। ট্রফি জিতেছিলেন কাজী তৌকির ও রূপরেখা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আজ অরিজিৎ সিং এক আবেগের নাম। কোনো ‘গডফাদার’ ছাড়াই প্রীতমের সহকারী হিসেবে শুরু করে আজ তিনি জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত সুপারস্টার।
বিচারকের আসনেই ফিরলেন নেহা কক্কর
২০০৬ সালে ‘ইন্ডিয়ান আইডল ২’-এর মঞ্চ থেকে খালি হাতে ফিরতে হয়েছিল ১৮ বছরের নেহা কক্করকে। কয়েক বছর পরই সেই একই মঞ্চে বিচারকের আসনে ফিরে এসে ইতিহাস গড়েন তিনি। আজ তিনি বলিউডের অন্যতম সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া গায়িকা।
প্রত্যাখ্যাত হয়েও অনুপ্রেরণা বিশাল মিশ্র
একবার নয়, দু-দুবার ‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এ প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন বিশাল। কিন্তু দমে যাননি। ‘কবীর সিং’-এর গানের পর এখন ‘বর্ডার ২’-এর জন্য চর্চায় রয়েছেন তিনি।
সোনু নিগমকে মুগ্ধ করতে পারেননি জুবিন
‘এক্স ফ্যাক্টর’ রিয়্যালিটি শো-তে জুবিন নৌটিয়াল যখন অংশগ্রহণ করেন, তখন বিচারক সোনু নিগম তাঁকে সেরা ২৫-এও জায়গা দেননি। আজ সেই জুবিনের ‘রাতা লম্বিয়া’ বা ‘তুম হি আনা’-র মতো গানে মজে গোটা বিশ্ব।
নবম স্থান থেকে জাতীয় পুরস্কার: মোনালি ঠাকুর
‘ইন্ডিয়ান আইডল’-এ নবম স্থানে বাদ পড়েছিলেন বাংলার মেয়ে মোনালি ঠাকুর। অথচ ২০১৫ সালে ‘মোহ মোহ কে ধাগে’ গানের জন্য জাতীয় পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছিলেন তিনি।
রাহুল বৈদ্য কিংবা মেইয়াং চ্যাং— তালিকাটা দীর্ঘ। এঁরা প্রত্যেকেই প্রমাণ করেছেন, রিয়্যালিটি শো-র মঞ্চ কেবল একটা শুরু মাত্র; আসল লড়াইটা শুরু হয় সেই মঞ্চের বাইরে।