খুদের মুখে মিথ্যে কথার ফুলঝুরি, কী ভাবে ছাড়াবেন এই অভ্যাস?

খুদের মুখে মিথ্যে কথার ফুলঝুরি, কী ভাবে ছাড়াবেন এই অভ্যাস?

খুদের মুখে মিথ্যে কথার ফুলঝুরি। ছোট বয়স থেকেই যদি মিথ্যে কথা বলা শেখে, তা হলে বিপদ বাড়বে। অনেক বার বকে মেরে ধরে এই স্বভাব বদলানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ফল মেলেনি। আসলে ছোটদের কাছে মিথ্যে কথা বলাটা মজার বিষয়ের মধ্যে পড়ে। ২-৪ বছর বয়সিদের মধ্যে এই স্বভাব বেশি দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, মিথ্যে কথা বলার মধ্যে দিয়ে তারা গুছিয়ে কথা বলতে শেখে। তা ছাড়া তাদের কাছে কোনটা ঠিক, কোনটা ভুলের সংজ্ঞাটা পরিষ্কার নয়। তাই বকে, মেরেও এই স্বভাব বদলানো যায় না। বরং, এই সময়ে বাবা-মাকে কিছু দিকে নজর রাখতে হবে।

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে স্বভাবে পরিবর্তন আসা

ছোট বয়সে তারা যে কথাগুলো বানিয়ে বানিয়ে বলে, তার কোনও ভিত্তি থাকে না। তাই তারা মিথ্যে কথা বলা মাত্র তা বোঝা যায়। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মিথ্যে কথা বলার প্রবণতা যদি বাড়তে থাকে, তখন বিপদ। এমন কোনও মিথ্যে কথা বলল, যা খুদের পক্ষে ক্ষতিকর হতে পারে, তখন সাবধান হওয়া দরকার। তাই বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে মিথ্যে কথা বলার প্রবণতা বাড়ছে না কমছে, সে দিকে খেয়াল রাখুন এবং সেই মতো পদক্ষেপ করুন।

মারধর করা চলবে না

মিথ্যে কথা শুনলে প্রাথমিক পর্যায়ে রাগ হয়। অনেকে ধৈর্য হারিয়ে সন্তানের গায়ে হাত তোলেন। এই ভুল করবেন না। বকা বা মার খাওয়ার ভয়ে সন্তান আরও বেশি করে মিথ্যে কথা বলতে পারে। তাই এই পথে না হেঁটে নিজেকে শান্ত রাখার চেষ্টা করুন। শান্ত মাথায় সন্তানকে বোঝান। মিথ্যে কথা বললে কী কী সমস্যা আসতে পারে, তা বোঝান। 

প্রশ্রয় দেবেন না

ছোটরা মিথ্যে কথা বলে—এই বিষয়কে বেশি প্রশ্রয় দেবেন না। ৩ বছরের বাচ্চার মিথ্যে কথা বলার অভ্যাসকে হাওয়ায় উড়িয়ে দিতে পারেন। কিন্তু ৫-৬ বছরের বাচ্চা মিথ্যে কথা বললে সেটাকে হালকা ভাবে নেবেন না। এটা মোটেও তুচ্ছ বিষয় নয়। এই অভ্যাসের জেরে আপনার সন্তান আগামী দিনে ভুল পথে হাঁটতে পারে। তাই সন্তানকে কখনওই সীমা অতিক্রম করতে দেবেন না। প্রয়োজনে শাসন করুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *