স্কুল সার্ভিস কমিশনে বড় ধামাকা! মার্চেই ১২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের মেগা আপডেট

রাজ্যের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বসন্তের শুরুতেই আসছে বড় সুখবর। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জট অবশেষে কাটতে চলেছে। স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) সূত্রে খবর, আগামী মার্চ মাসের গোড়াতেই শুরু হয়ে যাচ্ছে শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া। শিক্ষাদপ্তরের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই ১২ হাজার ৪৪৫টি শূন্যপদের তালিকা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।
ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করে কাউন্সেলিং শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে এসএসসি। জানা গিয়েছে, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চাকরিহারা ৮ হাজার ২৯৯ জন শিক্ষকও তাঁদের হারানো পদ ফিরে পেতে চলেছেন। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী মাস থেকেই তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়ার কাজ শুরু হবে।
কেন দেরি হলো এই নিয়োগে?
উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক নিয়োগের মূল প্রক্রিয়া গত বছর শেষ হলেও বেশ কিছু আইনি ও পদ্ধতিগত কারণে তা থমকে ছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নতুন করে কিছু প্রার্থীর ইন্টারভিউ নেওয়া এবং নথিপত্র যাচাইয়ের কারণে বাড়তি সময় লেগেছে। এ ছাড়াও তালিকায় থাকা কিছু ‘অযোগ্য’ প্রার্থীকে চিহ্নিত করে বাদ দেওয়ার কাজও সম্পন্ন করেছে কমিশন। সল্টলেকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে কাউন্সেলিংয়ের জন্য প্রার্থীদের অন্তত এক সপ্তাহ আগে জানানো হবে, যাতে তাঁরা যাতায়াতের সুব্যবস্থা করতে পারেন।
ডেডলাইন ও ভোট আতঙ্ক
সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে একাদশ-দ্বাদশ এবং নবম-দশম শ্রেণির সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। যদিও সামনেই ভোট, তবুও শিক্ষাকর্তারা আশাবাদী যে আদর্শ আচরণবিধি এই নিয়োগে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই মেধা তালিকা অনুযায়ী যোগ্যরা স্কুলে যোগ দিতে পারবেন বলে মনে করা হচ্ছে।
শিক্ষাকর্মী নিয়োগেও কড়াকড়ি
আগামী ১ এবং ৮ মার্চ রাজ্যে শিক্ষাকর্মী নিয়োগের বড় পরীক্ষা হতে চলেছে। এই পরীক্ষাকে স্বচ্ছ রাখতে কোমর বেঁধে নেমেছে এসএসসি। জানা গিয়েছে, ৫৪৪ জন ‘অযোগ্য’ প্রার্থী জালিয়াতি করে ফের পরীক্ষায় বসার চেষ্টা করেছিলেন। এমনকি তাঁদের কেউ কেউ অ্যাডমিট কার্ডও পেয়ে গিয়েছিলেন। তবে শেষ মুহূর্তের স্ক্রুটিনিতে ধরা পড়ায় তাঁদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনোভাবেই অযোগ্যদের ঠাঁই হবে না এই নিয়োগে।