যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম তুলতে এমএ বিএ পাস চাকরিপ্রার্থীদের ভিড়, শুরু হলো রাজনৈতিক তরজা

রাজ্যে যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন গ্রহণ শুরু হতেই ব্লক অফিসগুলিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের আদলে তৈরি এই প্রকল্পে ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সীরা সর্বোচ্চ পাঁচ বছর আর্থিক সহায়তা পাবেন। নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা দাবি করেছেন যে মুখ্যমন্ত্রী যুবকদের নাড়ির স্পন্দন বুঝতে পেরেছেন, তাই এই প্রকল্প ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি হয়েছে।
তবে এই ভাতা নিয়ে আবেদনকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকে ভাতার বদলে স্থায়ী চাকরির দাবি তুলেছেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই প্রকল্পের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে কটাক্ষ করেছেন। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কর্মসংস্থান হলে বা পাঁচ বছর পূর্ণ হলে এই ভাতা বন্ধ হয়ে যাবে। বর্তমানে কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি সর্বত্রই এই প্রকল্প ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক চর্চা তুঙ্গে।