লঙ্গর-ভাণ্ডারা রাস্তায় হলে নামাজে কেন বাধা, যোগী সরকারকে সরাসরি তোপ মৌলানা জর্জিসের

উত্তরপ্রদেশে রাস্তায় নামাজ পড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে এবার সরাসরি যোগী আদিত্যনাথ সরকারের বিরুদ্ধে সরব হলেন মৌলানা জর্জিস আনসারি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে তাকে রীতিমতো আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা গেছে। মৌলানার প্রশ্ন, যদি হিন্দুদের ভাণ্ডারা, লঙ্গর কিংবা হোলির উৎসব রাজপথে হতে পারে, তবে মুসলমানদের কেন মাত্র ৫ মিনিটের জন্য রাস্তায় নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না?
বৈষম্যের অভিযোগে সরব মৌলানা
একটি ধর্মীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মৌলানা জর্জিস দাবি করেন, উত্তরপ্রদেশের বর্তমান পরিস্থিতি মুসলমানদের জন্য একেবারেই অনুকূল নয়। তিনি বলেন, “রাজ্যের আনাচে-কানাচে হিন্দুদের লঙ্গর এবং ভাণ্ডারা বড় আয়োজনে রাস্তার ওপর করা হয়। হোলির সময় রাজপথ রঙে ভিজে যায়। কাঁউড়িয়া যাত্রার সময় তীর্থযাত্রীরা অবলীলায় রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু জুম্মার নামাজের সময় মুসলমানদের কেন ৫ মিনিটের জন্য রাস্তায় বসতে দেওয়া হয় না? আমাদের কেন জোর করে মসজিদের ভেতরেই সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে?”
সরকারি পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন
মৌলানা জর্জিস সরকারের কাজের পদ্ধতি নিয়েও কড়া সমালোচনা করেছেন। তার অভিযোগ, সরকার মাদরাসা, লাউডস্পিকার এবং ধর্মীয় আচার-আচরণের ক্ষেত্রে কেবল মুসলমানদের ওপরই কড়াকড়ি করছে। তার কথায়, “সরকার যেখানে কাঁউড়িয়াদের ওপর হেলিকপ্টার থেকে ফুল বর্ষণ করছে, সেখানে মুসলমানদের প্রতিটি পদক্ষেপে বাধা দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের কাজ হওয়া উচিত সবার জন্য সমানভাবে চিন্তা করা, কিন্তু উত্তরপ্রদেশে সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুকরণের রাজনীতি চলছে।”
পশ্চিমবঙ্গকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে উল্লেখ
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির প্রেক্ষাপট হিসেবে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে পশ্চিমবঙ্গে এক সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মৌলানা জর্জিস উত্তরপ্রদেশের মুসলমানদের সেখানে চলে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, উত্তরপ্রদেশে মুসলমানদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় এবং তাদের জন্য পশ্চিমবঙ্গ অনেক বেশি নিরাপদ।
মৌলানা জর্জিসের এই বিতর্কিত বয়ানকে কেন্দ্র করে ইতিমধেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে। একদিকে যখন বিজেপি সরকার নিয়ম ও শৃঙ্খলা রক্ষার কথা বলছে, অন্যদিকে মৌলানা একে সরাসরি ধর্মীয় বৈষম্য হিসেবে চিহ্নিত করে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন।
আপনি কি এই সংবাদের ভিত্তিতে কোনো বিশেষ সম্পাদকীয় বিশ্লেষণ বা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট তৈরি করতে চান?উত্তরপ্রদেশে রাস্তায় নামাজ পড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞাকে কেন্দ্র করে এবার সরাসরি যোগী আদিত্যনাথ সরকারের বিরুদ্ধে সরব হলেন মৌলানা জর্জিস আনসারি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে তাকে রীতিমতো আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা গেছে। মৌলানার প্রশ্ন, যদি হিন্দুদের ভাণ্ডারা, লঙ্গর কিংবা হোলির উৎসব রাজপথে হতে পারে, তবে মুসলমানদের কেন মাত্র ৫ মিনিটের জন্য রাস্তায় নামাজ পড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না?
বৈষম্যের অভিযোগে সরব মৌলানা
একটি ধর্মীয় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মৌলানা জর্জিস দাবি করেন, উত্তরপ্রদেশের বর্তমান পরিস্থিতি মুসলমানদের জন্য একেবারেই অনুকূল নয়। তিনি বলেন, “রাজ্যের আনাচে-কানাচে হিন্দুদের লঙ্গর এবং ভাণ্ডারা বড় আয়োজনে রাস্তার ওপর করা হয়। হোলির সময় রাজপথ রঙে ভিজে যায়। কাঁউড়িয়া যাত্রার সময় তীর্থযাত্রীরা অবলীলায় রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু জুম্মার নামাজের সময় মুসলমানদের কেন ৫ মিনিটের জন্য রাস্তায় বসতে দেওয়া হয় না? আমাদের কেন জোর করে মসজিদের ভেতরেই সীমাবদ্ধ রাখা হচ্ছে?”
সরকারি পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন
মৌলানা জর্জিস সরকারের কাজের পদ্ধতি নিয়েও কড়া সমালোচনা করেছেন। তার অভিযোগ, সরকার মাদরাসা, লাউডস্পিকার এবং ধর্মীয় আচার-আচরণের ক্ষেত্রে কেবল মুসলমানদের ওপরই কড়াকড়ি করছে। তার কথায়, “সরকার যেখানে কাঁউড়িয়াদের ওপর হেলিকপ্টার থেকে ফুল বর্ষণ করছে, সেখানে মুসলমানদের প্রতিটি পদক্ষেপে বাধা দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের কাজ হওয়া উচিত সবার জন্য সমানভাবে চিন্তা করা, কিন্তু উত্তরপ্রদেশে সম্পূর্ণ ভিন্ন মেরুকরণের রাজনীতি চলছে।”
পশ্চিমবঙ্গকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে উল্লেখ
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির প্রেক্ষাপট হিসেবে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে পশ্চিমবঙ্গে এক সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মৌলানা জর্জিস উত্তরপ্রদেশের মুসলমানদের সেখানে চলে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, উত্তরপ্রদেশে মুসলমানদের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় এবং তাদের জন্য পশ্চিমবঙ্গ অনেক বেশি নিরাপদ।
মৌলানা জর্জিসের এই বিতর্কিত বয়ানকে কেন্দ্র করে ইতিমধেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে। একদিকে যখন বিজেপি সরকার নিয়ম ও শৃঙ্খলা রক্ষার কথা বলছে, অন্যদিকে মৌলানা একে সরাসরি ধর্মীয় বৈষম্য হিসেবে চিহ্নিত করে বিতর্ক উসকে দিয়েছেন।