শাড়ির আঁচলে আস্ত রামায়ণ! বাঁকুড়ার শিল্পীর তৈরি ২.৫ লক্ষ টাকার বালুচরি তাক লাগাচ্ছে বিশ্বকে

বাঁকুড়া: শাড়ির ভাঁজে জীবন্ত হয়ে উঠছে রামায়ণের ২৮টি কাণ্ড। ভাগীরথীর তীরের হারিয়ে যাওয়া বালুচর গ্রাম থেকে বিষ্ণুপুরের তাঁতশালা— বালুচরি শাড়ির ইতিহাস ও আভিজাত্য এবার নতুন রূপ পাচ্ছে শিল্পী অমিতাভ পালের হাতে।
তৈরির নেপথ্যে ও বিশেষত্ব
- অনন্য নকশা: ১০টি ভিন্ন রঙের সুতোর কারুকার্যে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে রামায়ণের বিস্তারিত কাহিনি।
- ঐতিহ্য: নবাব মুর্শিদকুলি খাঁর আমল থেকে শুরু হওয়া এই শিল্প এখন বিষ্ণুপুরের গর্ব।
- বিলাসবহুল মূল্য: সূক্ষ্ম কাজের এই একেকটি শাড়ির বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা।
এর আগেও দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের ‘শকুন্তলা’ বা ‘নবাবী’ নকশার শাড়ি তৈরি করে আন্তর্জাতিক বাজারে সাড়া ফেলেছিলেন এই শিল্পী। তন্তুজ ও উইভার্স সার্ভিস সেন্টারের সহযোগিতায় এই বিলুপ্তপ্রায় শিল্প এখন বিশ্বজনীন। প্রাচীন পুরাণ আর আধুনিক বয়নশৈলীর এই মেলবন্ধন বালুচরিকে পৌঁছে দিচ্ছে এক অনন্য উচ্চতায়।
| সূচনা | ১৭০০ সাল, মুর্শিদাবাদের বালুচর গ্রামে নবাবী আমলে শুরু। |
| স্থানান্তর | গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পর শিল্পীরা বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে বসতি গড়েন। |
| বর্তমান | অমিতাভ পালের নকশায় রামায়ণ, মহাভারতের কাহিনি খচিত বহুমূল্য সম্ভার। |