নিয়োগ দুর্নীতিতে জেলবন্দি বিধায়ক! বড়ঞায় তৃণমূলের মুখ কে, জল্পনা

নিয়োগ দুর্নীতিতে জেলবন্দি বিধায়ক! বড়ঞায় তৃণমূলের মুখ কে, জল্পনা

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা এখনও গরাদের পিছনে। আর তার জেরেই বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্রে কার্যত ব্যাকফুটে শাসকদল। গত লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে তৃণমূলকে টপকে লিড নিয়েছে বিজেপি। এই পরিস্থিতিতে হৃত জমি পুনরুদ্ধারে মরিয়া ঘাসফুল শিবির এবার বড়ঞায় ‘নতুন মুখ’ এনে মাস্টারস্ট্রোক দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

বড়ঞার রাজনৈতিক সমীকরণ ও দুশ্চিন্তা

গত লোকসভা নির্বাচনে বড়ঞা কেন্দ্রে বিজেপি পেয়েছিল ৬৩,৪৭৬ ভোট, যেখানে তৃণমূল আটকে যায় ৬২,৯১৮ ভোটে। মাত্র ৫৫৮ ভোটের এই ব্যবধান এখন শাসক শিবিরের মাথাব্যথার প্রধান কারণ। একদিকে বিধায়কের জেলযাত্রা, অন্যদিকে দলের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব— সব মিলিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে কোমর বাঁধছে তৃণমূলের নির্বাচনী কোর কমিটি।

তৃণমূলের সম্ভাব্য প্রার্থী ও রণকৌশল

রাজনৈতিক মহলের জোর জল্পনা, বড়ঞার প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক প্রতিমা রজককে দলে টেনে তৃণমূল যে চাল চেলেছে, তাকেই বিধানসভা নির্বাচনে তুরুপের তাস করা হতে পারে। এছাড়াও ব্লক সভাপতি মাহে আলমের মতো স্থানীয় নেতৃত্বের ওপর ভরসা রাখছে দল। তবে দলের একাংশের মতে, স্বচ্ছ ভাবমূর্তি বজায় রাখতে বিধানসভার বাইরে থেকে কোনো হেভিওয়েট নতুন মুখকেও প্রার্থী করা হতে পারে।

বিজেপির আত্মবিশ্বাস ও টিকিটের লড়াই

অন্যদিকে, লোকসভার ফলের নিরিখে জয়ের গন্ধ পেয়ে বিজেপি শিবিরে এখন সাজ সাজ রব। এই আসন থেকে প্রার্থী হতে গেরুয়া শিবিরের প্রথম সারির নেতাদের মধ্যে কার্যত কাড়াকাড়ি পড়ে গিয়েছে। জেলা বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, বড়ঞায় এবার তাদের জয় কেবল সময়ের অপেক্ষা।

শাসকদল যখন উন্নয়ন ও সামাজিক প্রকল্পের নিরিখে ভোট বৈতরণী পার হতে চাইছে, বিজেপি তখন সাংগঠনিক শক্তি আর শাসকদলের দুর্নীতির ইস্যুকে হাতিয়ার করছে। শেষ পর্যন্ত বড়ঞার মানুষ কার ওপর ভরসা রাখে, সেটাই এখন দেখার।

আপনি কি এই খবরের কোনো নির্দিষ্ট অংশের ওপর ভিত্তি করে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট বা বিশ্লেষণমূলক কোনো কলাম তৈরি করতে চান?

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *