স্কুল স্তরে সিমেস্টার চালুর সিদ্ধান্তে সিঁদুরে মেঘ দেখছে DSO, ২ মার্চ থেকে রাজ্যজুড়ে বড় আন্দোলনের ডাক

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থায় স্কুল স্তরে সিমেস্টার পদ্ধতি চালুর সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এবার সরাসরি সংঘাতের পথে নামছে এসইউসিআই (SUCI)-এর ছাত্র সংগঠন ডিএসও (DSO)। পরিকাঠামোবিহীন শিক্ষা ব্যবস্থায় এই নতুন পদ্ধতি ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার করে দেবে— এই অভিযোগ তুলে আগামী ২ মার্চ থেকে রাজ্যজুড়ে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।
রবিবার ডিএসও-র রাজ্য সম্পাদক এক কড়া বিবৃতিতে জানান, বর্তমানে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা বা কলেজ স্তরে যে সিমেস্টার পদ্ধতি চলছে, তার কঙ্কালসার দশা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট। পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, ঠিকমতো ক্লাস হচ্ছে না এবং সিলেবাস শেষ না করেই ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার টেবিলে বসতে বাধ্য করা হচ্ছে। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির মধ্যেই স্কুল স্তরে সিমেস্টার পদ্ধতি চাপিয়ে দেওয়া হলে হিতে বিপরীত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।
সংগঠনের দাবি, স্কুল স্তরে এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে পড়াশোনার খরচ একলাফে কয়েক গুণ বেড়ে যাবে, যা সাধারণ পরিবারের নাগালের বাইরে চলে যাবে। এর ফলে একদিকে যেমন শিক্ষার মান কমবে, অন্যদিকে পাল্লা দিয়ে বাড়বে স্কুলছুটের সংখ্যা। পরিকাঠামো উন্নয়ন না করে কেন তড়িঘড়ি এই পদ্ধতি চাপানো হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছে ডিএসও। ২ মার্চ থেকে এই প্রতিবাদী কর্মসূচিকে গ্রাম থেকে শহর— সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে তারা।