মাঠে বন্ধুত্বের হাসি আর টসের পর তিক্ততা কি শুধুই বোর্ডের চাপে

মাঠে বন্ধুত্বের হাসি আর টসের পর তিক্ততা কি শুধুই বোর্ডের চাপে

NEWS DESK : কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে ভারত-পাকিস্তান মহারণ শুরুর আগে এক অদ্ভুত বৈপরীত্যের ছবি ধরা পড়ল। একদিকে যখন দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন ক্রিকেট মাঠের সৌজন্যে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, অন্যদিকে মাঠের অনুশীলনে ধরা পড়ল ভিন্ন চিত্র। টসের সময় ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও পাক অধিনায়ক সালমান আলি আঘার মধ্যে চিরাচরিত করমর্দন না দেখা গেলেও, ম্যাচের আগে দুই দলের ক্রিকেটারদের খোশমেজাজে গল্প করতে দেখা গেছে। রিঙ্কু সিং ও ফাহিম আশরফের হাসিমুখের সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হতেই শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।

প্রশ্ন উঠছে, ক্রিকেটারদের এই দূরত্ব কি তবে কেবলই ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে? অতীতে এশিয়া কাপে জয়ের পর ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানানো থেকে শুরু করে বর্তমান বিশ্বকাপে হাত না মেলানোর সিদ্ধান্ত—সবই কি ওপর মহলের চাপে? কাশ্মীর ইস্যু ও সাম্প্রতিক উত্তপ্ত পরিস্থিতির আবহে গৌতম গম্ভীর ও সূর্যকুমার যাদবরা স্পষ্ট করেছেন যে তাঁরা দেশের মানুষের আবেগের সঙ্গে রয়েছেন। অথচ নেপথ্যে বরুণ চক্রবর্তী বা রিঙ্কু সিংদের সাথে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সহজ মেলামেশা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যক্তিগত কোনো তিক্ততা নেই। মাঠের এই ‘নাটক’ আর ড্রেসিংরুমের বন্ধুত্বের মাঝে ক্রিকেট প্রেমীরা এখন দ্বিধাবিভক্ত।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *