ফাল্গুন অমাবস্যা ২০২৬: সাবধান! এই রাতে ভুলেও করবেন না এই ৫টি কাজ, হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি

NEWS DESK : হিন্দু ধর্মে ফাল্গুন অমাবস্যার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, যা মূলত পিতৃপুরুষের তর্পণ, দান-পুণ্য এবং আধ্যাত্মিক সাধনার জন্য অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। ২০২৬ সালে এই অমাবস্যা আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার পালিত হবে। শাস্ত্রীয় মতে, এই তিথিতে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম পালন করলে যেমন সুখ-সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়, তেমনি কিছু কাজ করলে জীবনে নেমে আসতে পারে ঘোর অন্ধকার ও নেতিবাচক প্রভাব।
জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী, অমাবস্যার রাতে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব প্রবল থাকে, তাই এই সময়ে শ্মশান বা নির্জন স্থানে যাওয়া একেবারেই উচিত নয়। এছাড়া, এই বিশেষ তিথিতে আমিষ আহার, মদ্যপান বা রসুন-পেঁয়াজের মতো তামসিক খাদ্য বর্জন করা বাধ্যতামূলক। পারিবারিক শান্তি বজায় রাখতে এই রাতে কোনোভাবেই বড়দের অপমান বা ঝগড়া-বিবাদে জড়ানো উচিত নয়, কারণ এতে পিতৃপুরুষরা অসন্তুষ্ট হতে পারেন যা বংশের অমঙ্গল ডেকে আনে।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, অমাবস্যার রাতে ব্রহ্মচর্য পালন করা এবং অপ্রয়োজনে রাত না জেগে ঈশ্বরের আরাধনায় মনোনিবেশ করা শ্রেয়। যেহেতু এবারের অমাবস্যা মঙ্গলবার পড়েছে, তাই নেতিবাচক শক্তি থেকে মুক্তি পেতে হনুমান চালিশা পাঠ করা অত্যন্ত ফলদায়ী হতে পারে। এছাড়া সন্ধ্যার সময় অশ্বত্থ গাছের নিচে সরিষার তেলের প্রদীপ জ্বালালে পিতৃদোষ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব বলে মনে করা হয়।
পরদিন সকালে অভাবী মানুষকে অন্ন বা কালো তিল দান করার মাধ্যমে এই ব্রতর পূর্ণ ফল লাভ করা যায়। নিয়মনিষ্ঠভাবে এই তিথি পালন করলে পরিবারে যেমন পজিটিভ এনার্জি বজায় থাকে, তেমনই মানসিক শান্তি ও আধ্যাত্মিক শক্তি বৃদ্ধি পায়। তাই অমাবস্যার রাতে এই ভুলগুলো এড়িয়ে চলে নিজের ও পরিবারের সুরক্ষা নিশ্চিত করুন।