বিয়ের মাত্র ৫ মাসেই মর্মান্তিক পরিণতি! চলন্ত গাড়িতে অন্তঃসত্ত্বা ব্যাংক কর্মীর গলা কাটল ঘাতক

ভ্যালেন্টাইনস ডের আনন্দ বিষাদে পরিণত হলো এক নববধূর জন্য। বিয়ের রেশ কাটতে না কাটতেই প্রাণ হারাতে হলো গুরুগ্রামের এইচডিএফসি ব্যাংকের কর্মী মহককে। গত রবিবার রাতে হরিয়ানার ঝাজ্জর-বাদলি রোডে চলন্ত গাড়ির ভেতরেই অত্যন্ত নৃশংসভাবে খুন করা হয় এই তরুণীকে। অভিযোগের আঙুল উঠেছে খোদ তাঁর স্বামী অংশুলের দিকে, যিনি পেশায় একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CA)।
ঘটনার বিবরণ ও পুলিশের তদন্ত
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে মহক ও অংশুলের বিয়ে হয়েছিল। সম্প্রতি তাঁরা ভ্যালেন্টাইনস ডে উদযাপন করতে হিসারে গিয়েছিলেন। রবিবার সন্ধ্যায় নিজেদের গাড়িতে করে তাঁরা গুরুগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। রাত ১১টা নাগাদ পাহাসোর গ্রামের কাছে এই রোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর অংশুল নিজেই পুলিশকে ফোন করে খবর দেন। তবে বয়ানে অসংগতি থাকায় পুলিশ শুরুতেই তাঁকে সন্দেহের তালিকায় রাখে।
নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ধরণ
তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন, মহকের গলায় এবং ঘাড়ে কোনো ধারালো বস্তু (সম্ভবত কাঁচি) দিয়ে বারবার আঘাত করা হয়েছে। রক্তাক্ত অবস্থায় গাড়ির ভেতর থেকেই তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সময় গাড়িতে কেবল স্বামী-স্ত্রী দুজনই উপস্থিত ছিলেন।
পরিবারের বিস্ফোরক অভিযোগ
মৃতার পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, মহক অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। বিয়ের পর থেকেই তাঁর ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালানো হতো বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা। এই ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই অংশুলকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করছে প্রশাসন, যাতে মৃত্যুর সঠিক কারণ এবং ব্যবহৃত অস্ত্র সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়।