ব্যর্থতার পাহাড় তবুও কেন বাবর-শাহিনরাই তুরুপের তাস? পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্দরমহলের বিস্ফোরক তথ্য

ক্রিকেটের সাধারণ ব্যাকরণ যা বলছে, পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্ট ঠিক তার উল্টো পথে হাঁটছে। টানা ফ্লপ পারফরম্যান্স সত্ত্বেও বাবর আজম ও শাহিন শাহ আফ্রিদিকে কেন বয়ে বেড়াচ্ছে পাকিস্তান? প্রশ্নটি এখন ক্রিকেট বিশ্বের মুখে মুখে। কিন্তু এর পেছনে লুকিয়ে আছে এক অবাক করা বাণিজ্যিক সমীকরণ।
সাবেক পিসিবি প্রধান রমিজ রাজা দেড় বছর আগেই একটি তর্কের অবতারণা করেছিলেন— যদি ‘স্টার’ খেলোয়াড়রাই না খেলে, তবে টিভিতে খেলা দেখবে কে? স্পনসররাই বা আসবে কোথা থেকে? এই ‘স্টার পাওয়ার’ বা গ্ল্যামারের নেশাই কি আজ ডুবিয়ে দিচ্ছে পাকিস্তান ক্রিকেটকে? ভারতের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও সেই একই ভুল করল পাকিস্তান। যেখানে সালমান মির্জার মতো কার্যকর বোলারকে বসিয়ে রেখে অফ-ফর্মে থাকা শাহিনকে খেলানো হলো শুধুমাত্র তাঁর ‘বড় নাম’ হওয়ার কারণে।
কলম্বোর উইকেটে যেখানে পুরনো বলে রান করা কঠিন, সেখানে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত ছিল আত্মঘাতী। ক্রিকেট যে স্রেফ পরিসংখ্যান বা কোনো রিয়্যালিটি শো নয়, বরং এটি পিচ এবং পরিস্থিতির পদার্থবিজ্ঞান— এই সাধারণ সত্যটি বুঝতেও ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তানের হাই-প্রোফাইল কোচিং স্টাফ।
ব্যাট হাতে বাবর আজমের মাত্র ৫ রান এবং শাহিনের নির্বিষ বোলিং পাকিস্তানের শোচনীয় হারের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেয়। অথচ ডাটায় ভরা ল্যাপটপ আর আধুনিক কোচের জমানায় এই নড়বড়ে পাকিস্তান দল কেন বারবার একই ভুল করছে, তা এখন বড় গবেষণার বিষয়। ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে, দল যখন মেধার চেয়ে গ্ল্যামারকে বেশি প্রাধান্য দেয়, তখন মাঠের ফলাফল ভারতের কাছে ৬১ রানের বড় হারের মতোই যন্ত্রণাদায়ক হয়।