ভারতীয় সেনার গোপন ঘাঁটিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, মোদি সরকারের দেশপ্রেম নিয়ে প্রশ্ন তুলল বিরোধীরা

চণ্ডীগড়: ভারত ও আমেরিকার বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আগে থেকেই উত্তপ্ত ছিল জাতীয় রাজনীতি। এবার সেই আগুনে ঘি ঢালল মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোরের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট। সোমবার দুপুরে তিনি জানান, হরিয়ানার চণ্ডীমন্দিরে অবস্থিত ভারতীয় সেনার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘ওয়েস্টার্ন কমান্ড’-এর সদর দপ্তরে যাচ্ছেন তিনি। আর এই ঘোষণা ঘিরেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রণকৌশল সাজানোর ক্ষেত্রে ওয়েস্টার্ন কমান্ড ভারতীয় সেনার অন্যতম প্রধান শক্তি। অতীতে ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে এই ঘাঁটির ভূমিকা ছিল অপরিসীম। এমন একটি সংবেদনশীল সেনাঘাঁটিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সফর নিয়ে সুর চড়িয়েছে বিরোধী শিবির। কংগ্রেস থেকে শুরু করে শিবসেনা— সব পক্ষই মোদি সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।
কেরল কংগ্রেস এক্স হ্যান্ডলে আক্রমণ শানিয়ে জানিয়েছে, এই সরকারই একসময় পাঠানকোটের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে পাকিস্তানের আইএসআই-কে ঢোকার অনুমতি দিয়েছিল। এখন মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে সেনার সদর দপ্তরে পাঠিয়ে দেশ কার্যত আমেরিকার কাছে বন্ধক রাখা হচ্ছে। অন্যদিকে, উদ্ধবপন্থী শিবসেনার নেত্রী প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী প্রশ্ন তুলেছেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিজের দেশের স্বার্থ দেখছেন, কিন্তু আমাদের দেশের স্বার্থ দেখার লোক কোথায়? আমেরিকার কথামতো ভারত চলছে কি না, তা নিয়ে এখন বড়সড় প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।