তারেক জমানায় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন সমীকরণ: সংঘাত নয়, সহযোগিতার বার্তা

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণকে কেন্দ্র করে দিল্লি ও ঢাকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে প্রবল কৌতূহল তৈরি হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাকে ফেরত পাওয়ার দাবি থাকলেও ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক বা কৌশলগত সম্পর্কে তার প্রভাব পড়বে না। বিগত ১৭ বছরের বৈরিতা কাটিয়ে বিএনপি নেতৃত্ব এখন সীমান্ত সমস্যা সমাধান ও গঙ্গা জলচুক্তি নবায়নে আলোচনার মাধ্যমে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।
বিচ্ছিন্নতাবাদী উস্কানি বা যুদ্ধের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে বিএনপি স্পষ্ট করেছে যে, ভারতের সঙ্গে লড়াই নয় বরং কারিগরি শিক্ষা ও বেকারত্ব দূরীকরণে প্রতিবেশী দেশের সহযোগিতা চায় ঢাকা। নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরার পর তারেক রহমানও ভারতবিরোধী মন্তব্য থেকে বিরত থেকেছেন, যা দিল্লির সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ার ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুই দেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই নতুন অধ্যায় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।