প্রধানমন্ত্রী পদে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ, প্রস্তুত হচ্ছে নতুন সরকার

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ী দল বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন। সাংবিধানিক নিয়ম মেনে তিনি বগুড়া-৬ আসন থেকে পদত্যাগ করে ঢাকা-১৭ আসনটি নিজের কাছে রেখেছেন। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এই রাজকীয় অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাসহ প্রায় ১২ শতাধিক দেশি-বিদেশি অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে এই নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হতে চলেছে। সম্ভাব্য ৩৫ থেকে ৩৭ জন সদস্য নিয়ে গঠিত এই প্রশাসনে ২৬-২৭ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ৯-১০ জন প্রতিমন্ত্রী থাকতে পারেন। নতুন মন্ত্রীদের আবাসনের জন্য বেইলি রোড ও মিন্টো রোড এলাকার ৩৬টি সরকারি বাংলো ও অ্যাপার্টমেন্ট ইতিমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় আড়াই দশক পর বিএনপি নেতার এই ক্ষমতা গ্রহণকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
শপথের পর নতুন প্রধানমন্ত্রীর স্থায়ী ঠিকানা নিয়ে জল্পনা চলছে। বর্তমানে তিনি গুলশান অ্যাভিনিউয়ের একটি বাড়িতে অবস্থান করলেও, পরবর্তীকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘যমুনা’ তাঁর সরকারি বাসভবন হতে পারে বলে দলীয় সূত্রে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ‘গণভবন’ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এই বিকল্প ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে। বাংলাদেশের প্রশাসনিক পুনর্গঠনে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।