রমজানে সারাদিন তেষ্টা পাবে না এক ফোঁটাও! সেহরিতে এই খাবারগুলো রাখলেই কেল্লাফতে

রমজান ২০২৬ কড়া নাড়ছে দরজায়। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার চেয়েও রোজাদারদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় তৃষ্ণা বা জলর পিপাসা। বিশেষ করে সারাদিন কাজ ও ছোটাছুটির মাঝে গলা শুকিয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক। অনেকেই সেহরির সময় প্রচুর জল পান করেন, কিন্তু তাতে খুব একটা লাভ হয় না। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, সেহরির তালিকায় সামান্য পরিবর্তন আনলেই সারাদিন সতেজ থাকা সম্ভব। জেনে নিন কোন খাবারগুলো আপনাকে রাখবে হাইড্রেটেড।
ওটস ম্যাজিক
সেহরিতে ওটস খাওয়া একটি দুর্দান্ত বিকল্প। ওটস প্রচুর পরিমাণে জল শোষণ করে রাখতে পারে, যা ধীরে ধীরে শরীরে পুষ্টি ও আর্দ্রতা সরবরাহ করে। ফলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকে এবং বারবার জলর তৃষ্ণা পায় না। দুধ বা ফলের সঙ্গে ওটস মিশিয়ে খেলে সারাদিন এনার্জি বজায় থাকবে।
জলর বিকল্প ফল ও সবজি
সেহরির মেনুতে এমন ফল রাখুন যাতে জলর পরিমাণ বেশি। তরমুজ, কমলালেবু, শসা বা স্ট্রবেরি এক্ষেত্রে সেরা। এই খাবারগুলো শরীরের ন্যাচারাল হাইড্রেটর হিসেবে কাজ করে, যা দীর্ঘ সময় আপনাকে সতেজ ও সক্রিয় রাখবে।
দইয়ের কেরামতি
সেহরিতে এক বাটি দই খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। দই পেট ঠান্ডা রাখে এবং হজমে সাহায্য করে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, দই খেলে তৃষ্ণা তুলনামূলক অনেক কম লাগে। যারা রোজা রেখে খুব বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়েন, তাদের জন্য দই অপরিহার্য।
নারকেল জলর জাদু
শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স ধরে রাখতে নারকেল জলর জুড়ি নেই। সেহরির শেষে এক গ্লাস নারকেল জল পান করলে শরীরের লবণের ঘাটতি পূরণ হয় এবং সারাদিন ক্লান্তি স্পর্শ করতে পারে না।
এ বছর রমজানে তৃষ্ণাকে জয় করতে আজই আপনার সেহরির তালিকায় এই খাবারগুলো যুক্ত করুন।