স্বপ্নের জগতে বাস করছেন রাহুল গান্ধী, মোদীকে ছোঁয়ার সাধ্য নেই কারও! বিস্ফোরণ নবজোত কৌরের

স্বপ্নের জগতে বাস করছেন রাহুল গান্ধী, মোদীকে ছোঁয়ার সাধ্য নেই কারও! বিস্ফোরণ নবজোত কৌরের

কংগ্রেস ছাড়ার পর এবার সরাসরি রাহুল গান্ধীকে লক্ষ্য করে তোপ দাগলেন নবজোত সিং সিধুর স্ত্রী নবজোত কৌর সিধু। এক সময়ের সতীর্থ রাহুলকে নিয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরে বর্তমানে জাতীয় রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নবজোত কৌরের দাবি, রাহুল গান্ধী বাস্তবের মাটিতে পা না রেখে কেবল স্বপ্নের জগতে বাস করছেন।

রাহুলকে উপহারে পাওয়া পদ নিয়ে কটাক্ষ

তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুরে সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নবজোত কৌর বলেন, রাহুল গান্ধী নিচুতলা থেকে লড়াই করে উঠে আসেননি। রাজনীতিতে তিনি যা পেয়েছেন, তা আদতে তাঁর পরিবারের তরফে পাওয়া উপহার। তাঁর অভিযোগ, “জমিদারি মানসিকতা নিয়ে চললে বাস্তব বোঝা সম্ভব নয়। রাহুল গান্ধী এমন এক স্বপ্নের জগতে থাকেন যেখানে একদল লোক তাঁকে যা বোঝান, তিনি সেটাই বিশ্বাস করেন।”

সততার কারণেই কংগ্রেসে কোণঠাসা সিধু পরিবার?

নিজেদের দলত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নবজোত কৌর জানান, সিধু দম্পতি সবসময় দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। তিনি বলেন, “আমরা সৎ বলেই কংগ্রেসে আমাদের কথা শোনা হয়নি। নেতারা আমাদের কাছে আসতেন ফাইল পাস করাতে বা টেন্ডার পাইয়ে দিতে। আমরা সেই অন্যায়ের পথে হাঁটিনি বলেই আজ আমাদের নিয়ে সমালোচনা হয়।” অর্থনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও তাঁরা পাঞ্জাবের মানুষের বিশ্বাস ধরে রেখেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

মোদী ও যোগীর দরাজ প্রশংসা

রাহুল গান্ধীর কড়া সমালোচনা করলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন নবজোত কৌর। মোদী প্রসঙ্গে তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, “কারও সাধ্য নেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর দিকে আঙুল তোলার। তাঁর বিরুদ্ধে একটিও দুর্নীতির মামলা নেই। তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি বলতেও কিছু নেই। তাঁকে ছুঁয়ে দেখার সাহস কারও নেই।”

পাশাপাশি যোগী আদিত্যনাথের সুশাসনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, উত্তরপ্রদেশের গরিব মানুষ আজ ‘যোগী-যোগী’ নাম জপছে কারণ তারা সুবিধা পাচ্ছে। মানুষকে জোর করে কিছু বলানো যায় না, কাজ করলে মানুষ নিজে থেকেই পাশে দাঁড়ায়— এই যুক্তিতেই রাহুল গান্ধীকে ঘুরিয়ে ব্যর্থ বলে দেগে দিয়েছেন তিনি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *