কমিশন নয় যেন হিটলারি শাসন, ৭ আধিকারিকের সাসপেনশন নিয়ে রণংদেহি মমতা

নির্বাচন কমিশনের বেনজির পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, সাসপেন্ড হওয়া ৭ আধিকারিকের কারও চাকরি যাবে না। নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে কমিশনকে ‘ক্যাপচার কমিশন’ ও ‘টর্চার কমিশন’ বলে তোপ দেগে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন ওই আধিকারিকদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হলো না?
মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, দিল্লির নেতাদের ইশারায় চলছে কমিশন। বাংলায় এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ার নামে ‘তুঘলকি কাণ্ড’ ঘটিয়ে ভোটার তালিকা থেকে কয়েক লক্ষ জেনুইন ভোটারকে বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। বিহারের সঙ্গে বাংলার নিয়মের ফারাক কেন, সেই প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, নির্বাচনের তিন মাস আগে ভয় দেখিয়ে বিডিও এবং ডিএম-দের কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাফ কথা, “যতক্ষণ না নির্বাচন ঘোষণা হচ্ছে, ততক্ষণ কেউ কমিশনের আওতায় নয়।” তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেন, ক্ষমতা থাকলে সঠিক ভোটারদের নাম বাদ না দিয়ে অবাধ নির্বাচন করে দেখাক কমিশন। একইসঙ্গে তাঁর আশ্বাস, সাসপেন্ড হওয়া আধিকারিকরা ভোটের কাজের বাইরে রাজ্যের অন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাবেন।