নির্বাচন কমিশনের কড়া হুঁশিয়ারি: অবশেষে চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের রাজ্যের

নির্বাচন কমিশনের কড়া হুঁশিয়ারি: অবশেষে চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের রাজ্যের

নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার শেষ মুহূর্তে নতিস্বীকার করল রাজ্য সরকার। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার দুই ইআরও (ERO) ও দুই এইআরও-র (AERO) বিরুদ্ধে অবশেষে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। গত বছরের অগস্ট থেকে এই আধিকারিকরা সাসপেন্ড থাকলেও, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে গড়িমসি করছিল নবান্ন। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার মধ্যে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়ার চরম সময়সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছিল কমিশন।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে দিল্লিতে তলব করে কমিশন। পাশাপাশি, উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাট-২ ব্লকের বিডিও সুমিত্র প্রতীম প্রধানের বিরুদ্ধেও অনুমতি ছাড়াই অতিরিক্ত এইআরও নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর সাসপেনশন অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও গাইডলাইন লঙ্ঘনের অভিযোগে এই কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে কমিশন।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, সুপ্রিম কোর্টের ২০০০ সালের রায় এবং এসআইআর গাইডলাইন মেনেই সাতজন এইআরও-কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। আইনত এই সাসপেনশন প্রত্যাহার করতে হলে রাজ্য সরকারকে অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে। বর্তমানে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কমিশনের সাফ কথা, ক্ষমতার অপব্যবহার কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *