বেলদাকাণ্ডের পর্দাফাঁস: ভাইরাল হওয়ার নেশায় ট্রেনের সামনে থেকে ঝাঁপ দিয়ে খুনের গল্প ফাঁদেন যুবক

পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায় ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে যুবককে ফেলে দেওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগের নাটকীয় মোড় নিল। পুলিশি জেরার মুখে যুবক মানারুল ইসলাম স্বীকার করেছেন যে, কোনো অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাকে ধাক্কা দেয়নি। মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার নেশায় এবং মানসিক অস্থিরতা থেকে তিনি ট্রেন থেকে নেমে খুনের চেষ্টার এই মিথ্যা গল্প সাজিয়েছিলেন।
প্রাথমিক অভিযোগে মানারুল দাবি করেছিলেন, বেঙ্গালুরু থেকে ফেরার পথে দুই ব্যক্তি তাকে বাংলাদেশি সন্দেহে পরিচয়পত্র দেখাতে বলে এবং চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল এবং তাকে বেলদা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়। তবে তদন্তে নেমে পুলিশ তার বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি খুঁজে পায়।
মানারুলের পরিবার জানিয়েছে, চার মাস আগে বেঙ্গালুরুতে কাজে যাওয়া ওই যুবক বর্তমানে মানসিকভাবে কিছুটা ভারসাম্যহীন। তার চঞ্চল প্রকৃতির কথা বিবেচনা করে এবং ভুল স্বীকার করায় পুলিশ কোনো কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়নি। মানবিক কারণে তাকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে আইনি জটিলতা কাটিয়ে তিনি বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন।