Seasonal Health Tips: ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রায় ভোগাচ্ছে জ্বর, সর্দি, কাশি, কীভাবে সুস্থ থাকবেন? ডাক্তারের টিপস

Seasonal Health Tips: ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রায় ভোগাচ্ছে জ্বর, সর্দি, কাশি, কীভাবে সুস্থ থাকবেন? ডাক্তারের টিপস

শীত বিদায় হয়েই গেল। এবার বাড়ছে তাপমাত্রা। সকাল থেকে গরম লাগছে। রাতেও চালাতে হচ্ছে পাখা। যার ফলে গরম জামা পরতে চাইছেন না অনেকে। আর এহেন ঋতু বদলের সময়ই একাধিক ভাইরাস সক্রিয় হয়ে ওঠে। যার ফলে জ্বর, সর্দি ও কাশির মতো সমস্যা নিচ্ছে পিছু। 

তাই এই সময় সাবধান থাকতে হবে। চেষ্টা করতে হবে যেন তেন প্রকারেণ ইমিউনিটি বাড়িয়ে নেওয়ার। তাহলেই উপকার মিলবে হাতেনাতে। নইলে শরীরের হাল বিগড়ে যেতে সময় লাগবে না। 

সুতরাং আর দেরি করবেন না। বরং চেষ্টা করুন কয়েকটি নিয়ম মেনে চলার। তাতেই উপকার মিলবে হাতেনাতে। 

এই সব ভিটামিন থাকা মাস্ট
আপনাকে সবার প্রথমে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। এক্ষেত্রে আমলকী, পেয়ারা ও লেবু খান। তাতে শরীরে পৌঁছে যাবে ভিটামিন সি। 

এছাড়া ভিটামিন ডি-ও লাগবে। আর এই ভিটামিন পেতে চাইলে রোদে দাঁড়ান। দিনে অন্তত ৩০ মিনিট রোদ পোহালেই উপকার মিলবে হাতেনাতে। দেখবেন ইমিউনিটি বাড়বে। আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন।

জলপান বাড়ান
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খান। দিনে অন্তত ৩ লিটার জল খাওয়া মাস্ট। এর বেশি খেতে পারেন। তবে এর থেকে কম চলবে না। যদিও কিডনির অসুখ থাকলে হুট করে জলপান বাড়াবেন না। তাতে শরীরের বড়সড় ক্ষতি হতে পারে। 

দই খান
আমাদের অন্ত্রে রয়েছে কিছু উপকারী ব্যাকটেরিয়া। আর এই সব ব্যাকটেরিয়া শরীরের হাল ফেরানোর কাজে একাই একশো। এগুলি যেমন পেটের হাল ফেরায়, ঠিক তেমনই বাড়িয়ে দেয় ইমিউনিটি। তাই নিয়মিত দই খেতে ভুলবেন না যেন! তাতেই শীতের বিদায় বেলায় সুস্থ থাকবেন।

এক্সারসাইজ মাস্ট
অনেকেই অলস জীবন কাটান। সেটাই বিপদ বাড়ায়। তাই এই ভুল করা চলবে না। তার বদলে নিয়মিত ব্যায়াম করুন। দিনে ৩০ মিনিট আর সপ্তাহে ১৫০ মিনিট এক্সারসাইজ হল মাস্ট। তাতেই সুস্থ থাকতে পারবেন ঋতু পরিবর্তনের সময়। 

নিয়ম করে ঘুমান
এই সময় অনেকেরই ঘুমের সমস্যা হয়। তাই তাঁরা ঠিকমতো শুতে পারেন না। যার ফলে শরীরের হাল বিগড়ে যায়। তাই এখন থেকে দিনে অন্তত ৩০ মিনিট এক্সারসাইজ হল মাস্ট। এর থেকে বেশি সময় ঘুমোতে পারেন। তবে এর থেকে কম সময় শোয়া যাবে না। ব্যাস, এই কয়কেটি নিয়ম মেনে চললেই সুস্থ থাকবেন।

বিদ্র: এই প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্য নিয়ে লেখা হয়েছে। কোনও ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই নিজের চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *