ট্রাম্পের সব শর্ত খারিজ ইরানের, ঘনীভূত হচ্ছে যুদ্ধের মেঘ

জেনেভায় ইরান ও আমেরিকার মধ্যে পরমাণু কর্মসূচি সংক্রান্ত পরোক্ষ আলোচনা কোনো ইতিবাচক সমাধান ছাড়াই শেষ হয়েছে। এক ইজরায়েলি কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, আমেরিকা ইজরায়েলকে স্পষ্ট জানিয়েছে যে এই আলোচনার আর কোনো উপযোগিতা নেই এবং বর্তমানে যুদ্ধই একমাত্র বিকল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া কোনো শর্তই তারা মানবে না। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে।
আলোচনার মূল কেন্দ্রে ছিল ইরানের পরমাণু কর্মসূচি এবং আমেরিকার অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা। তেহরানের দাবি, তাদের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হলে তবেই তারা পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার কথা ভাববে। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন বারংবার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে যে ইরান তাদের পরমাণু প্রকল্প বন্ধ না করলে কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর মাঝেই ওমানের মধ্যস্থতায় কিছু প্রযুক্তিগত অগ্রগতির কথা বলা হলেও, ইজরায়েলি সূত্রের দাবি আলোচনার টেবিলে কেবল শর্তসংবলিত নথির আদান-প্রদান হয়েছে মাত্র।
বর্তমান পরিস্থিতিতে আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইতিপূর্বে ইরানি বিক্ষোভের সময় একাধিকবার হামলার হুমকি দিয়েছিলেন, যা যুদ্ধের সম্ভাবনাকে আরও উস্কে দিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি অবশ্য জানিয়েছেন যে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে ঐকমত্য হলেও এখনও অনেক কাজ বাকি। তবে কূটনৈতিক পথ ব্যর্থ হলে গোটা অঞ্চল এক ভয়াবহ সংঘাতের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।