শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসবের ভোলবদল! হোটেল ভাড়া আকাশছোঁয়া হলেও দোল কাটানোর সেরা উপায় জানুন

শান্তিনিকেতনে এবারও প্রথাগত বসন্ত উৎসব হচ্ছে না, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রবীর কুমার ঘোষের এই সিদ্ধান্তে পর্যটকদের একাংশের মনে কিছুটা হতাশা থাকলেও বোলপুরের আকর্ষণ বিন্দুমাত্র কমেনি। ভিড় সামলাতে এবং ঐতিহ্যের ভারসাম্য বজায় রাখতে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ সীমিত পরিসরে উৎসব পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে আশ্রমিক ও প্রাক্তনীদের সমর্থন থাকলেও সাধারণ পর্যটকদের জন্য শান্তিনিকেতন ক্যাম্পাসে প্রবেশ থাকছে নিয়ন্ত্রিত।
এতসব বাধা সত্ত্বেও বোলপুর শহরের আনাচে-কানাচে বসন্তের রঙ লাগবেই। পর্যটকদের ঢল নামার আগাম আভাস পেয়েই শহরের হোটেল ও লজ মালিকরা ভাড়ার অঙ্ক দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন। এই আকাশছোঁয়া খরচের হাত থেকে বাঁচতে এবং শান্তিতে দোল উপভোগ করতে কিছু কৌশলী পরিকল্পনা আপনার সফরকে আরামদায়ক করতে পারে।
সস্তায় থাকার উপায় এবং কিছু জরুরি টিপস:
- বিকল্প আবাসন খুঁজুন: শান্তিনিকেতন বা সোনাঝুরির খুব কাছে হোটেল না খুঁজে বোলপুর শহর থেকে ৪-৫ কিলোমিটার দূরে হোটেল খুঁজলে খরচ অনেকটাই কম হবে।
- সাঁইথিয়া হতে পারে সেরা বিকল্প: বোলপুর স্টেশনের ভিড় এবং চড়া দাম এড়াতে সাঁইথিয়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় থাকতে পারেন। এখানে হোটেল ভাড়া তুলনামূলক অনেক সাশ্রয়ী।
- যাতায়াতে লোকাল ট্রেন: সাঁইথিয়া থেকে বোলপুর-শান্তিনিকেতন যাতায়াতের জন্য লোকাল ট্রেন ব্যবহার করা সবথেকে সহজ এবং সস্তা মাধ্যম। মাত্র কয়েক মিনিটের ট্রেন যাত্রায় আপনি পৌঁছে যেতে পারেন মূল উৎসবস্থলে।
- আগেভাগে বুকিং: শেষ মুহূর্তের হুড়োহুড়ি এড়াতে অনলাইনে বা সরাসরি কথা বলে আগেভাগেই বুকিং সেরে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
বিশ্বভারতীর কড়াকড়ি থাকলেও শান্তিনিকেতনের লাল মাটি আর পলাশের রঙে মেতে উঠতে পর্যটকদের উৎসাহে কোনো খামতি নেই। একটু পরিকল্পনা করে এগোলে পকেটের ওপর চাপ না দিয়েই আপনি মেতে উঠতে পারেন বসন্তের উৎসবে।