১ লক্ষ ১৫ হাজার নথিতে চরম গাফিলতি! ভোটের মুখে জেলায় জেলায় অফিসারদের শোকজ করল নির্বাচন কমিশন

পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড। প্রায় ১ লক্ষ ১৫ হাজার নথি অনলাইনে আপলোড না হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। নিয়ম অনুযায়ী শুনানির চার দিনের মধ্যে তথ্য আপলোড করার কথা থাকলেও, বিপুল পরিমাণ কাজ বকেয়া পড়ে রয়েছে। এই নজিরবিহীন গাফিলতির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ERO) এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারদের (AERO) শোকজ নোটিস পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। অভিযোগ উঠেছে, বহু আবেদন খারিজের কোনো সদুত্তরও দেননি আধিকারিকরা।
অন্যদিকে, স্পেশাল রোল অবজারভার সি. মুরুগনের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসক শিবিরের দাবি, মুরুগন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বেআইনিভাবে আধিকারিকদের নির্দেশ দিচ্ছেন। যদিও মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, মুরুগন কেবল কমিশনের নিয়মই ব্যাখ্যা করেছেন। তবে বিতর্কের জেরে তাঁর সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন সিইও। মুরুগনের পদত্যাগের দাবিতে সরব হলেও কমিশন এখনও এই বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।
৫০০০ কিমি পথ আর বিশাল জনসভা! বঙ্গে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে ১ মার্চ থেকে শুরু বিজেপির মেগা রথযাত্রা
রাজ্য দখলের লক্ষ্যে এবার মাস্টারস্ট্রোক দিতে চলেছে বিজেপি। ১ মার্চ থেকে উত্তরবঙ্গের কোচবিহার দক্ষিণ থেকে শুরু হতে চলেছে গেরুয়া শিবিরের ‘পরিবর্তন রথযাত্রা’। বঙ্গ বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, রাজ্যের কোণায় কোণায় তৃণমূল বিরোধী বার্তা পৌঁছে দিতেই এই মেগা আয়োজন। ১ থেকে ২ মার্চ জেলায় জেলায় এই যাত্রা চলবে। মাঝে দোল ও হোলির কারণে ৩ এবং ৪ মার্চ বিরতি থাকলেও, ৫ থেকে ১০ মার্চের মধ্যে রাজ্যের প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্র ছুঁয়ে মোট ৫,০০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করবে এই রথ ও ট্যাবলো।
বিজেপির এই রথযাত্রায় অংশ নেবেন একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং হেভিওয়েট নেতারা। গোটা রাজ্যজুড়ে আয়োজিত হবে প্রায় ৬০টি বড় এবং ৩০০টিরও বেশি ছোট জনসভা। এই মেগা কর্মসূচির শেষ হবে কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে। যেখানে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক বিশাল জনসভায় ভাষণ দেবেন। বিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে মোদীর এই ব্রিগেড সমাবেশ এবং ৫০০০ কিলোমিটারের রথযাত্রাই বঙ্গ রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দেবে বলে আশাবাদী বিজেপি নেতৃত্ব।