বাংলায় কি খাদ্যাভ্যাসে কোপ পড়বে? শমীক ভট্টাচার্যের বিস্ফোরক জবাব

বিহারের এনডিএ সরকারের একটি নির্দেশিকাকে হাতিয়ার করে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, বিজেপি সাধারণ মানুষের খাদ্যাভ্যাসে হস্তক্ষেপ করছে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পেটে লাথি মারছে। এই আবহে শমীক ভট্টাচার্য অত্যন্ত কৌশলী অবস্থান নিয়েছেন। তিনি সাফ জানিয়েছেন, “বাংলার মানুষ কী খাবেন, সেটা তাঁদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতা। বাংলা তার মাছ-মাংস খাবেই, সেখানে বাধার কোনো প্রশ্ন নেই।”
তবে এই ‘স্বাধীনতার’ মাঝেও একটি লক্ষ্মণরেখা টেনে দিয়েছেন তিনি। শমীকের কথায়, বিজেপি ঢালাও আমিষের বিরোধী নয়, তবে জনসমক্ষে বা খোলা জায়গায় গোমাংস বিক্রির ঘোর বিরোধী। তাঁর দাবি, “খোলা বাজারে যা খুশি বিক্রি করার অনুমতি দেওয়া যায় না, বিশেষ করে গোমাংসের ক্ষেত্রে আমাদের আপত্তি অনড়।”
মমতা বনাম বিজেপি: জীবিকা না রাজনীতি?
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ইস্যুতে সরাসরি সাধারণ মানুষের রুটি-রুজির প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, “রাস্তার ধারের ছোট ব্যবসায়ীরা যদি খোলা বাজারে মাছ-মাংস বিক্রি করতে না পারেন, তবে তাঁরা যাবেন কোথায়? সবাই কি আর শপিং মলে দোকান দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন?” মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যকে ‘জনগণবিরোধী’ রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়াই হিসেবে দেখছে তৃণমূল শিবির।
পাল্টা জবাবে শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন যে, তৃণমূল ইচ্ছাকৃতভাবে বিহারের নির্দেশিকাকে বিকৃত করে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তাঁর দাবি, বিজেপি কখনোই সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞার কথা বলেনি। বিহারে যা বলা হয়েছে, তার সঙ্গে তৃণমূলের প্রচারের কোনো মিল নেই।
শিরোনামের লড়াই: নজরকাড়া ও ক্লিকযোগ্য বাছাই
১. মাছ-মাংস খাওয়া নিয়ে বড় ঘোষণা শমীকের, গোমাংস নিয়ে দিলেন কড়া হুঁশিয়ারি ২. বাংলায় কি বন্ধ হবে খোলা বাজারে মাংস বিক্রি? উত্তাল রাজনীতির মাঝে মুখ খুলল বিজেপি ৩. মমতা বনাম শমীক: মাছ-মাংস নিয়ে তুঙ্গে তরজা, কার দখলে থাকবে বাঙালির পাত? ৪. খোলা বাজারে গোমাংস বিক্রিতে লাল সংকেত, মাছ-মাংস নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল বঙ্গ বিজেপি ৫. আমিষ খাওয়া নিয়ে বড় বয়ান শমীক ভট্টাচার্যের, বিহারের বিতর্কে নয়া মোড় বাংলায়
সংক্ষেপে মূল বিষয়বস্তু
- খাদ্য স্বাধীনতা: শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন বাংলার মানুষের খাদ্যাভ্যাসে হস্তক্ষেপ করবে না বিজেপি।
- গোমাংস বিতর্ক: বিজেপি কেবল খোলা জায়গায় গোমাংস বিক্রির বিরোধিতা করছে।
- তৃণমূলের আক্রমণ: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন।
- তথ্য বিকৃতি: তৃণমূল বিজেপি-শাসিত রাজ্যের নির্দেশিকাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করছে বলে পাল্টা দাবি গেরুয়া শিবিরের।