২০০% শুল্কের হুমকিতে মোদী আত্মসমর্পণ করেছিলেন: ট্রাম্প

ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেকার রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আবহ নাকি মুহূর্তের মধ্যে শান্ত করে দিয়েছিলেন তিনি! মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক সাম্প্রতিক দাবিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দুই পরমাণু শক্তিধর দেশের সংঘাত রুখতে রণকৌশল নয় বরং তিনি ব্যবহার করেছিলেন ‘অর্থনৈতিক অস্ত্র’।
আমদানিতে বিপুল শুল্কের হুমকি
একটি জনসভায় ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যখন যুদ্ধের দামামা বাজছিল, তখন তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পাকিস্তানের তৎকালীন নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন। ট্রাম্পের দাবি, তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে দুই দেশ যদি অবিলম্বে শান্তি বজায় না রাখে, তবে তাদের ওপর ২০০ শতাংশ আমদানি শুল্ক চাপিয়ে দেবে আমেরিকা।
ব্যবসায়িক স্বার্থ বনাম সীমান্ত সংঘাত
ট্রাম্পের বয়ান অনুযায়ী, ভারতের ওপর এই বিপুল পরিমাণ শুল্কের হুমকি মোদী সরকারকেও পিছু হটতে বাধ্য করেছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথায়, “আমি তাদের পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলাম যে এই সমস্যার সমাধান না করলে আমেরিকার সঙ্গে কোনও বাণিজ্যিক চুক্তি করা সম্ভব হবে না। এরপরই পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে যায় এবং আমরা দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্ষম হই।”
ট্রাম্পের দাবির নেপথ্যে কূটনৈতিক বিতর্ক
যদিও ট্রাম্প এই ঘটনার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ বা প্রেক্ষাপট নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি, তবে তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্প বরাবরই ভারতের উচ্চ শুল্ক নীতি নিয়ে সরব ছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রী মোদীকে একাধিকবার ‘ট্যারিফ কিং’ বা শুল্কের রাজা বলে অভিহিত করেছেন। নিজের ক্ষমতা জাহির করতেই তিনি পুনরায় এই পুরনো প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।