নিম্নচাপের ভ্রুকুটিতে কি ভ্যানিশ হবে শীতের আমেজ? জেনে নিন

নিম্নচাপের ভ্রুকুটিতে কি ভ্যানিশ হবে শীতের আমেজ? জেনে নিন

বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত ঘূর্ণাবর্ত কি বদলে দেবে বাংলার আবহাওয়া? আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সাম্প্রতিক পূর্বাভাস ঘিরে এখন এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সাধারণ মানুষের মনে। শীতের বিদায়ঘণ্টা কি তবে বেজেই গেল? এক নজরে দেখে নিন আগামী কয়েক দিন কেমন থাকবে আপনার জেলার আবহাওয়া।

নিম্নচাপের গতিবিধি ও বাংলার ভাগ্য

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে পশ্চিমবঙ্গ বা ওড়িশা উপকূলের বাসিন্দাদের জন্য স্বস্তির খবর হলো, এই সিস্টেমের সরাসরি প্রভাব আমাদের রাজ্যে পড়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। নিম্নচাপটি মূলত পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ফলে দুর্যোগের আশঙ্কা না থাকলেও, এর পরোক্ষ প্রভাবে আবহাওয়ার মেজাজ বদলে যেতে পারে।

উধাও হবে হিমেল পরশ, বাড়বে অস্বস্তি

শীতপ্রেমীদের জন্য খুব একটা ভালো খবর নেই। আগামী কয়েক দিনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে রাতের তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। কলকাতা থেকে শুরু করে দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া— সর্বত্রই অনুভূত হবে উষ্ণতার ছোঁয়া। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ১৭ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে।

বৃষ্টির সম্ভাবনা ও শুষ্ক আবহাওয়া

আগামী সাত দিন দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে এবং আবহাওয়া থাকবে পুরোপুরি শুষ্ক। বৃষ্টির দেখা না মেলায় বাতাসে আর্দ্রতার পরিবর্তন এবং রোদের তেজ বাড়ার ফলে শীতের আমেজ দ্রুত ফিকে হয়ে আসবে।

ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিই কি গ্রীষ্মের আগমন?

ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে সাধারণত হালকা শীতের আমেজ থাকে, কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন। সপ্তাহের শেষ দিক থেকে পারদ আরও চড়তে শুরু করবে। আগামী সপ্তাহের শুরুতেই তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের বার্তা অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গে শীতের বিদায়পর্ব ইতিপূর্বেই শুরু হয়ে গিয়েছে। ঋতু পরিবর্তনের এই সন্ধিক্ষণে তাপমাত্রার ওঠা-নামার কারণে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *