পাড়াতুতো মামার লালসার শিকার নাবালিকা ভাগ্নি! অন্তঃসত্ত্বা হতেই অভিযুক্তকে খুঁটিতে বেঁধে গণপিটুনি

দুর্গাপুরের রাঁচি কলোনি এলাকায় এক নৃশংস ঘটনার জেরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিজের পাড়াতুতো নাবালিকা ভাগ্নিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের জেরে ওই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়তেই হাড়হিম করা এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। শুক্রবার সকালে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তকে ধরে বাঁশের খুঁটিতে বেঁধে ব্যাপক গণপিটুনি দেয়।
যেভাবে প্রকাশ্যে এল ঘটনা
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা নাবালিকা দুর্গাপুরেরই বাসিন্দা। গত কয়েকদিন ধরে সে পেটের যন্ত্রণায় ভুগছিল। পরিবারের সদস্যরা তাকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায় যে ওই নাবালিকা অন্তঃসত্ত্বা। পরিবারের চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত সে তার ওপর হওয়া পৈশাচিক অত্যাচারের কথা জানায়। নাবালিকা জানায়, তার এক পাড়াতুতো মামা তাকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছে।
অভিযুক্তের পরিচয় ও গণরোষ
অভিযুক্ত যুবক দুর্গাপুর নগর নিগমের অস্থায়ী সাফাই কর্মী হিসেবে কর্মরত। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শুধুমাত্র এই নাবালিকাই নয়, এলাকার আরও অনেক মহিলা ও নাবালিকার সঙ্গে তার অবৈধ সম্পর্ক ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে। শুক্রবার সকালে অভিযুক্তকে এলাকায় দেখতে পেয়েই ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। তাকে একটি বাঁশের খুঁটিতে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়।
পুলিশি পদক্ষেপ
ঘটনার খবর পেয়েই দুর্গাপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী রাঁচি কলোনিতে পৌঁছায়। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে অভিযুক্তকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ। বর্তমানে সে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ ইতিমধ্যেই ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। পাশাপাশি, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে গণপিটুনিতে যুক্ত ব্যক্তিদেরও শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন। এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।