পর্যাপ্ত ঘুমই সুস্থতার চাবিকাঠি, মেনে চলুন এই ১০টি বিশেষ পরামর্শ

আধুনিক জীবনযাত্রায় কাজের চাপ এবং মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে অনিয়মিত ঘুমের সমস্যা প্রকট হচ্ছে। বেশিরভাগ মানুষই এখন অনেক রাতে ঘুমানোর অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে শরীরের ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম প্রয়োজন। ঘুমের মাধ্যমেই শরীর শক্তি পুনরুদ্ধার করে এবং কোষ মেরামত হয়, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক।
অপর্যাপ্ত ঘুমের ফলে মানসিক ক্লান্তি, মনোযোগের অভাব এবং মেজাজ খিটখিটে হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়। দীর্ঘদিনের অনিদ্রা স্মৃতিশক্তির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং শরীরের স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে রাতে দ্রুত ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শোবার আগে ডিজিটাল স্ক্রিন থেকে দূরে থাকা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
সুস্থ থাকতে বিশেষজ্ঞরা ১০টি কার্যকরী পরামর্শ দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো, শোবার ৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করা এবং সন্ধ্যার পর মৃদু আলোর ব্যবহার। এছাড়া ঘুমের আগে উষ্ণ জলে স্নান, ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন এবং ধ্যানের মাধ্যমে হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক রাখা ঘুমের মান উন্নত করে। নিয়মিত এই নিয়মগুলো মেনে চললে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বজায় রাখা সম্ভব।