ওজন নিয়ন্ত্রণে প্রোটিন খাওয়ার সঠিক সময়, জেনে নিন পুষ্টিবিজ্ঞানের পরামর্শ

ওজন কমাতে এবং পেশির সুগঠন বজায় রাখতে প্রোটিন অপরিহার্য। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, কেবল প্রোটিন খাওয়াই যথেষ্ট নয়, বরং সারা দিনের একটি নির্দিষ্ট নিয়মে এটি গ্রহণ করলে সুফল পাওয়া যায় দ্রুত। প্রোটিন হজম হতে বেশি শক্তি ব্যয় হয় এবং এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, যা শরীরের ‘থার্মিক এফেক্ট’ বাড়িয়ে অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
দিনের শুরুতে প্রাতরাশে প্রোটিন রাখা সবচেয়ে জরুরি, কারণ এটি রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখে এবং ক্ষুধার হরমোন ‘ঘেরলিন’-এর নিঃসরণ কমিয়ে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা রোধ করে। এছাড়া, ব্যায়ামের পরবর্তী ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের মধ্যে প্রোটিন গ্রহণ করলে পেশির ক্ষয় পূরণ ও দ্রুত পুনর্গঠন সম্ভব হয়। এই সময়কালকে বিশেষজ্ঞরা ‘অ্যানাবলিক উইন্ডো’ হিসেবে অভিহিত করেন।
খাবারের ভারসাম্য বজায় রাখতে প্রতি বারের প্রধান আহারে ২০-৩০ গ্রাম প্রোটিন রাখা উচিত, কারণ শরীর একবারে খুব বেশি প্রোটিন শোষণ করতে পারে না। রাতে ঘুমানোর আগে সামান্য প্রোটিন জাতীয় খাবার গ্রহণ করলে ঘুমের মধ্যেও পেশি মেরামতের কাজ সচল থাকে। সুশৃঙ্খলভাবে প্রোটিন গ্রহণের এই অভ্যাস মেটাবলিজম বাড়িয়ে শরীরের বাড়তি চর্বি কমাতে বিশেষভাবে সহায়ক।