বার্ষিক একটি পরীক্ষাতেই কমবে হৃদরোগের ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ

বার্ষিক একটি পরীক্ষাতেই কমবে হৃদরোগের ঝুঁকি, সুস্থ থাকতে চিকিৎসকদের বিশেষ পরামর্শ

অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, মানসিক চাপ এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে বর্তমানে হৃদরোগের ঝুঁকি জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা কোলেস্টেরল থাকলে ঝুঁকি আরও প্রবল হয়। চিকিৎসকদের মতে, প্রক্রিয়াজাত ও তৈলাক্ত খাবার বর্জন করার পাশাপাশি নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা হৃদযন্ত্রকে সুরক্ষিত রাখতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে লিপিড প্রোফাইলের মাত্রা পরীক্ষা করার মাধ্যমে হৃদরোগের আশঙ্কা প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব। লিপিড প্রোফাইল মূলত রক্তে ভালো ও খারাপ কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা পরিমাপ করে। পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় ৮০ শতাংশ হৃদরোগীর ক্ষেত্রেই এই লিপিড প্রোফাইলের মাত্রা অস্বাভাবিক থাকে, যা সময়মতো শনাক্ত করলে বড় বিপদ এড়ানো যায়।

২০ থেকে ২৫ বছর বয়সীদের প্রতি পাঁচ বছর অন্তর এবং ৪০ ঊর্ধ্ব ব্যক্তিদের বছরে অন্তত একবার লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করা জরুরি। রক্তে এলডিএল বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা ১০০-র নিচে এবং ট্রাইগ্লিসারাইড ২০০-র নিচে রাখা বাঞ্ছনীয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত শরীরচর্চা এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবনের মাধ্যমে হৃদপিণ্ডকে সচল ও রোগমুক্ত রাখা সম্ভব।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *