৫ সেকেন্ডের সহজ পরীক্ষায় জানা যাবে হৃদরোগের ঝুঁকি

হৃদ্রোগের নীরব লক্ষণগুলো অনেক সময় আগেভাগেই শরীরে প্রকাশ পায়, যা সময়মতো শনাক্ত করা জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, হার্টের ধমনীতে ব্লকেজ থাকলে বা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়লে তার প্রভাব সরাসরি পায়ে পড়ে। রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত হওয়ায় পায়ের পেশিতে টান ধরা, আঙুল ফ্যাকাশে হওয়া বা পা ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। সঠিক সময়ে সতর্ক না হলে এটি ‘সাইলেন্ট হার্ট অ্যাটাক’ বা পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ (পিএডি)-এর কারণ হতে পারে।
ঘরে বসে হার্টের অবস্থা বুঝতে গবেষকরা ৫ সেকেন্ডের একটি বিশেষ লেগ-টেস্টের পরামর্শ দিয়েছেন। এই পরীক্ষায় আরামদায়ক ভঙ্গিতে শুয়ে বা বসে একটি পা ৪৫ ডিগ্রি কোণে ৫ সেকেন্ড তুলে রাখতে হয়। যদি পা তোলার সাথে সাথে আঙুলের রঙ বদলে যায় বা কাঁপুনির সৃষ্টি হয়, তবে বুঝতে হবে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা রয়েছে। পা নামানোর পর গোড়ালি বা কাফ মাসলে ব্যথা ও ফুলাভাব দেখা দিলে তা ধমনীতে ব্লকেজের ইঙ্গিত দেয়।
শরীরের নিচের অংশে তরল জমা হওয়া বা শিরা নীলচে হয়ে যাওয়া হৃদযন্ত্রের দুর্বল কার্যক্ষমতার লক্ষণ। বিশেষ করে শোয়ার পর পা ঠান্ডা বা অসাড় হয়ে গেলে বিষয়টিকে অবহেলা করা উচিত নয়। দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার ক্ষেত্রে ঘরোয়া পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং প্রাথমিক শনাক্তকরণের মাধ্যমেই মারাত্মক হৃদরোগের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।