সাহিত্যিক শঙ্করের প্রয়াণ ও দিলীপ ঘোষের বিস্ফোরক দাবি ঘিরে তোলপাড় বাংলা

বাংলার সাহিত্যাকাশে নক্ষত্রপতন। প্রয়াত হলেন কিংবদন্তি সাহিত্যিক মণি শংকর মুখোপাধ্যায় ওরফে ‘শংকর’। শুক্রবার ৯২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ‘চৌরঙ্গী’র স্রষ্টা। তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাহিত্যিকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া যেমন রয়েছে, তেমনই অন্যদিকে বঙ্গ রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের আগুন উস্কে দিয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। নিজের স্ত্রীর ভোটে দাঁড়ানো থেকে শুরু করে রাজ্যে ৫০ লক্ষ ভুয়ো ভোটারের উপস্থিতি— একাধিক ইস্যুতে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তিনি।
সাহিত্যিক শংকরের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মুখ্যমন্ত্রী
বাংলা সাহিত্যের একটি যুগের অবসান ঘটল। কালজয়ী উপন্যাস ‘চৌরঙ্গী’ ও ‘সীমাবদ্ধ’-র কারিগর শংকরের মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, মণি শংকর মুখোপাধ্যায়ের চলে যাওয়া সাহিত্য জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর শোকবার্তায় উল্লেখ করেন যে, স্বামী বিবেকানন্দকে নিয়ে শংকরের গভীর গবেষণা আগামী প্রজন্মের কাছে এক অমূল্য সম্পদ হয়ে থাকবে। সত্যজিৎ রায়ের মতো বিশ্ববন্দিত পরিচালক তাঁর লেখনীর ওপর ভিত্তি করে সিনেমা তৈরি করেছিলেন, যা বিশ্বমঞ্চে সমাদৃত হয়েছে।
ভোটের ময়দানে দিলীপ-পত্নী? জল্পনার অবসান ঘটালেন বিজেপি নেতা
রাজনীতির অন্দরমহলে দীর্ঘদিনের চর্চা ছিল দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার কি এবার ভোটে দাঁড়াচ্ছেন? বিজেপির ড্রপবক্সে রিঙ্কুদেবীর নাম জমা পড়া প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন খড়গপুরের দাপুটে নেতা। তিনি সাফ জানান, তাঁর স্ত্রী বহুদিনের পুরনো রাজনৈতিক কর্মী এবং তাঁর নির্বাচনে লড়ার ইচ্ছে রয়েছে। দল যদি তাঁকে যোগ্য মনে করে তবেই টিকিট দেবে। দিলীপের কথায়, “আমরা দুজনেই দীর্ঘ সময় ধরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত, এখানে লুকনোর কিছু নেই।”
ভুয়ো ভোটার নিয়ে তোপ এবং ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ প্রসঙ্গে কটাক্ষ
ভোটার তালিকা সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া শুরু হতেই শাসকদল তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৫০ লক্ষ ভুয়ো ভোটার রয়েছে এবং বর্তমানে সেই জঞ্জাল পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে। শাসকদলের নাম না করে তিনি টিপ্পনি কেটে বলেন, “ভোটার তালিকা সংশোধনের নাম শুনলেই ওদের জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে।” এমনকি রাজ্যের জনপ্রিয় প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। দিলীপবাবুর দাবি, মহিলারা টাকা ঠিকই নেবেন কিন্তু ভোট দেওয়ার সময় তাঁরা নিজেদের পছন্দের দলকেই বেছে নেবেন।