খামেইনি ও তাঁর উত্তরসূরিকে হত্যার গোপন ছক ট্রাম্পের টেবিলে! ফাঁস হলো আমেরিকার বিধ্বংসী সামরিক পরিকল্পনা

নিউজ ডেস্ক
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনি এবং তাঁর সম্ভাব্য উত্তরসূরি ছেলে মোজতবা খামেইনিকে কি সপরিবারে নির্মূল করতে চলেছে আমেরিকা? হোয়াইট হাউসের অন্দরমহল থেকে ফাঁস হওয়া এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে এমনই ইঙ্গিত মিলেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে এখন তেহরানের শাসনব্যবস্থা গুঁড়িয়ে দেওয়ার একাধিক বিকল্প রয়েছে বলে দাবি করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘এক্সিওস’।
মার্কিন প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খামেইনি, তাঁর পুত্র এবং ইরানের প্রভাবশালী মোল্লাতন্ত্রকে পুরোপুরি সরিয়ে দেওয়ার ব্লু-প্রিন্ট ইতিমধ্যেই ট্রাম্পের কাছে জমা পড়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের চাবিকাঠি এখনও প্রেসিডেন্টের হাতেই। সূত্রের খবর, ট্রাম্প কৌশলগত কারণে নিজের পরিকল্পনা গোপন রেখেছেন। তিনি যেকোনো মুহূর্তে আক্রমণের সবুজ সংকেত দিতে পারেন, আবার পরিস্থিতি বুঝে পিছিয়েও আসতে পারেন।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি এই সামরিক পরিকল্পনা নিয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও জল্পনা উড়িয়ে দেননি। তিনি সাফ জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট কী করবেন তা একমাত্র তিনিই জানেন। অন্যদিকে, ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের পর এই প্রথম মধ্যপ্রাচ্যে বিশাল সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন। পারস্য উপসাগর ও পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ও ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডের মতো পরমাণু শক্তিচালিত রণতরী এবং একঝাঁক বিধ্বংসী যুদ্ধবিমান (F-35, F-22) প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, ইরানকে অবিলম্বে একটি অর্থবহ পরমাণু চুক্তিতে আসতে হবে, অন্যথায় ফল হবে ভয়াবহ। যদিও সুইৎজারল্যান্ডের জেনেভায় পর্দার আড়ালে আলোচনা চলছে, কিন্তু যুদ্ধের মেঘ কাটেনি। আগামী মার্চের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সমস্ত ইউনিট নির্দিষ্ট অবস্থানে পৌঁছে যাবে বলে জানা গেছে। এখন প্রশ্ন একটাই, ট্রাম্প কি সত্যিই ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে টার্গেট করার ঐতিহাসিক ঝুঁকি নেবেন?