বিষকন্যা: এক রহস্যময় এবং ভয়ংকর চরিত্র

প্রাচীন ভারতে, বিশেষ করে মৌর্য সাম্রাজ্যের সময়, বিষকন্যারা এক ধরনের গুপ্তচর ও ঘাতক হিসেবে পরিচিত ছিল। তাদের শরীরে বিষাক্ত দ্রব্য প্রবেশ করিয়ে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হত যে, তারা শত্রুদের সংস্পর্শে এসে তাদের হত্যা করতে পারতো, আবার নিজেরাও বেঁচে থাকতে পারতো।
বিষকন্যারা কীভাবে কাজ করত, তার কিছু বিবরণ নিচে দেওয়া হলো-
> তাদের ছোটবেলা থেকেই বিষাক্ত দ্রব্যের সঙ্গে পরিচিত করানো হতো এবং ধীরে ধীরে তাদের শরীরে বিষাক্ত পদার্থের সহনশীলতা তৈরি করা হতো।
> তাদের শরীরে বিষাক্ত দ্রব্য প্রবেশ করিয়ে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো, যাতে তারা শত্রুদের সংস্পর্শে এসে তাদের হত্যা করতে পারে।
> তাদের শরীরে বিষাক্ত দ্রব্য প্রবেশ করিয়ে এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো, যাতে তারা শত্রুদের সংস্পর্শে এসে তাদের হত্যা করতে পারে, আবার নিজেরাও বেঁচে থাকতে পারতো।
ঐতিহাসিক এবং সাহিত্যিক বিবরণ অনুযায়ী, বিষকন্যারা রাজকীয় ষড়যন্ত্র ও গুপ্তহত্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল।
প্রাচীন ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিষকন্যারা ছিল এক রহস্যময় এবং ভয়ংকর চরিত্র, যাদের ব্যবহার করে রাজারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতেন।