নির্বাচনী প্রচারে ‘ডিপফেক’ রুখতে তৎপর সিআইডি, সরাসরি এফআইআর-এর নির্দেশ

ভোটের আবহে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তৈরি ‘ডিপফেক’ ও ভুয়ো ভিডিওর মাধ্যমে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। আগে রাজনৈতিক অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা পুলিশের মাধ্যমে তদন্ত হলেও, এবার সরাসরি ভবানী ভবনের সিআইডি সাইবার ক্রাইম থানায় এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করা যাবে। প্রয়োজনে আধিকারিকরা স্বতঃপ্রণোদিত মামলাও করতে পারবেন।
গত লোকসভা নির্বাচনেও প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর বিকৃত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার নজির রয়েছে। বর্তমানে ডিজিটাল ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা ভিডিওর ডেটা, আইপি লগ ও উৎস খতিয়ে দেখছেন। রাজ্য পুলিশের মতে, এই ধরণের বিকৃত প্রচার শুধু রাজনৈতিক ইস্যু নয়, বরং জনশৃঙ্খলার জন্যও বড় হুমকি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো থেকেও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের বার্তা স্পষ্ট, ভোটের লড়াইয়ে প্রযুক্তিনির্ভর কোনো অপপ্রচার বরদাস্ত করা হবে না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে ভুয়ো তথ্য ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত। পরিস্থিতি অনুযায়ী রাজ্য সাইবার ক্রাইম উইং পরবর্তী তদন্তভার গ্রহণ করতে পারে। স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করতে ডিজিটাল দুনিয়ায় কড়া নজরদারি বজায় রাখছে প্রশাসন।