ভোটের আগেই দিল্লিতে কড়া নজরদারি! এবার মনোনয়নের প্রথম দিন থেকেই ময়দানে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পর্যবেক্ষক

ভোটের আগেই দিল্লিতে কড়া নজরদারি! এবার মনোনয়নের প্রথম দিন থেকেই ময়দানে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পর্যবেক্ষক

কলকাতা: বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে বেনজির সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিগত বছরগুলির রক্তক্ষয়ী অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আর ভোটের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে নারাজ দিল্লি। নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার প্রথম দিন, অর্থাৎ মনোনয়ন জমা দেওয়ার মুহূর্ত থেকেই প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে মোতায়েন করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের।

মনোনয়নেই শুরু হবে কড়া প্রহরা

গত নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তি ও পেশ পেশিশক্তির আস্ফালনের খবর এসেছিল। এবার সেই স্মৃতি মুছতে মরিয়া কমিশন। বাংলাসহ ৫ রাজ্যের জন্য মোট ১,৪৪৪ জন আইএএস (IAS), আইপিএস (IPS) এবং আইআরএস (IRS) আধিকারিককে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে ময়দানে নামানো হচ্ছে। কমিশনের লক্ষ্য একটাই—যাতে কোনও প্রার্থীকে মনোনয়ন জমা দিতে বাধা না দেওয়া হয় এবং গোটা প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ থাকে।

ত্রিস্তরীয় নজরদারিতে আধিকারিকরা

নির্বাচন কমিশন এই আধিকারিকদের তিনটি বিশেষ স্তরে ভাগ করেছে:

  • পুলিশ পর্যবেক্ষক (IPS): রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর সরাসরি নজর রাখবেন।
  • সাধারণ পর্যবেক্ষক (IAS): গোটা ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবেন।
  • রাজস্ব পর্যবেক্ষক (IRS): নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার রুখতে কড়া নজরদারি চালাবেন।

বিরোধীদের অভিযোগ ও কমিশনের কড়া বার্তা

মনোনয়ন পর্বে বাধা দেওয়ার বিষয়ে বিরোধী দলগুলি বারবার অভিযোগ জানিয়ে আসছিল। সেই অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়েই এই অভূতপূর্ব পদক্ষেপ নিল কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও তামিলনাড়ু, কেরালা, আসাম এবং পুডুচেরিতেও একই মডেলে ভোট পরিচালনা করা হবে। স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়ার কোনও স্তরেই কোনওরকম গাফিলতি বা কারচুপি বরদাস্ত করা হবে না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *