নির্বাচন-পূর্ববর্তী পরিস্থিতিতে উত্তপ্ত বাংলার রাজনীতি: আইনি নোটিস ও প্রশাসনিক রদবদল

ভোটের মুখে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের জামাইকে মাদক সংক্রান্ত পুরনো মামলায় তলব করেছে লালগোলা থানা। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি তাঁকে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, অভিনেতা ও বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ৬৮ লক্ষ টাকা ঋণ পরিশোধ না করার অভিযোগে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন এক পাওনাদার। সোহম অবশ্য এই ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন।
রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, পরিকল্পিত চক্রান্তের মাধ্যমে প্রায় ১.২ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এই বিষয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেও পরিস্থিতির বদল না হওয়ায় সরব হয়েছেন। গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় তিনি শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন।
প্রশাসনিক স্তরে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাজ্য পুলিশে বড়সড় রদবদল ঘটিয়েছে সরকার। বুধবারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৯ জন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিককে বিভিন্ন জেলায় বদলি করা হয়েছে। এর আগে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসেও দফায় দফায় আইপিএস অফিসারদের বদলি করা হয়েছিল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ধারাবাহিক রদবদলকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে বিশেষজ্ঞ মহল।