বেকার ভাতার আবেদন যেন জনসমুদ্র! স্বনির্ভর বাংলা শিবিরের শেষ দিনে ভাঙল সব রেকর্ড

বেকার ভাতার আবেদন যেন জনসমুদ্র! স্বনির্ভর বাংলা শিবিরের শেষ দিনে ভাঙল সব রেকর্ড

নিউজ ডেস্ক

রাজ্য সরকারের ‘স্বনির্ভর বাংলা’ শিবিরের সময়সীমা শেষ হতেই উঠে এল এক অবিশ্বাস্য পরিসংখ্যান। শেষ দিনে সাধারণ মানুষের ভিড় এবং আবেদনের সংখ্যা দেখে কার্যত তাজ্জব খোদ প্রশাসন। বিশেষ করে ‘যুব সাথী’ বা যুবশ্রী প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করতে কার্যত রেকর্ড ভেঙেছে বেকার যুবক-যুবতীরা।

যুব সাথী প্রকল্পে আবেদনের জোয়ার

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুব সাথী প্রকল্পে আবেদনকারীর সংখ্যা প্রায় ৮৪ লক্ষ ছুঁইছুঁই। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে এবং অনলাইনের মাধ্যমে এই বিপুল সংখ্যক চাকরিপ্রার্থী নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছেন। নবান্ন সূত্রে জানা গেছে, শিবিরের শেষ দিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত যে হারে ডেটা এন্ট্রি হয়েছে, তাতে চূড়ান্ত তালিকায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

এক নজরে আবেদনের খতিয়ান

  • সশরীরে আবেদন: বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজিত শিবিরে সশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদন জানিয়েছেন ৬৫ লক্ষ ৫৭৯ জন।
  • অনলাইন আবেদন: শিবিরের পাশাপাশি অনলাইনে আবেদন জমা পড়েছে আরও প্রায় ১৯ লক্ষ।
  • অন্যান্য প্রকল্প: শুধু যুব সাথী নয়, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও নতুন করে আবেদন জমা পড়েছে প্রায় আড়াই লক্ষ।

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও অন্যান্য পরিষেবায় ব্যাপক সাড়া

স্বনির্ভর বাংলা শিবিরে কেবল বেকার ভাতাই নয়, সামাজিক সুরক্ষা ও অন্যান্য সরকারি পরিষেবার ক্ষেত্রেও মানুষের ঢল নেমেছিল। বার্ধক্য ভাতা থেকে শুরু করে কাস্ট সার্টিফিকেট— সব বিভাগেই উল্লেখযোগ্য সাড়া মিলেছে। বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে উৎসাহ ছিল তুঙ্গে। নতুন করে আড়াই লক্ষ মহিলা এই প্রকল্পের আওতায় আসার জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন।

প্রশাসনের দাবি, প্রতিটি ব্লকে এবং পুরসভা এলাকায় আয়োজিত এই মেগা শিবিরের সাফল্য প্রমাণ করছে যে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়েছে। এখন দেখার, এই বিপুল সংখ্যক আবেদনপত্র যাচাইয়ের পর কতজন আবেদনকারী সরাসরি এই সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পেতে শুরু করেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *