বন্ধুত্বের আড়ালে নৃশংসতা! গয়নার লোভে ক্যানটিন ম্যানেজারকে টুকরো টুকরো করে যমুনায় ভাসাল ‘খুনি’ বন্ধু

দিল্লিতে বন্ধুত্বের বিশ্বাস ভাঙার এক হাড়হিম করা ঘটনা সামনে এসেছে। ছত্তিশগড় সদনের ক্যানটিন ম্যানেজার ৪৮ বছর বয়সী অনরূপ গুপ্তাকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগে এক মহিলাসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত হ্যাপির নজর ছিল অনরূপের সোনার গয়নার ওপর। সেই লোভেই এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।
মদের আসরেই ঘনিয়ে এল মৃত্যু
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি রাতে অনরূপকে মদের আসরে ডেকে পাঠায় হ্যাপি। সেখানে তাকে বেঁধে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং আরও টাকার দাবি জানানো হয়। নিজের সোনার আংটি ও ব্রেসলেট দিয়ে দিলেও রেহাই পাননি অনরূপ। অভিযুক্তরা আরও টাকা চাইলে তিনি অস্বীকার করেন। এরপরই কুঠার বা বড় ছুরি দিয়ে কুপিয়ে তাকে কুপিয়ে খুন করা হয়। প্রমাণ লোপাট করতে দেহ টুকরো করে তিনটি ব্যাগে ভরে অনরূপের নিজের গাড়িতে করেই বৃন্দাবনের কাছে যমুনা নদীতে ফেলে দেয় ঘাতকরা।
বিভ্রান্ত করার ছক এবং গ্রেফতার
পরিবারকে বিভ্রান্ত করতে অনরূপের ফোন থেকে মেসেজ পাঠানো হয়েছিল যে তিনি গোয়া যাচ্ছেন। কিন্তু ২৩ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ ডায়েরি হওয়ার পর পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ ও মোবাইল লোকেশন খতিয়ে দেখতেই হ্যাপির পর্দা ফাঁস হয়। এই ঘটনায় পুলিশ হ্যাপি, ভূপিন্দর, বলরাম এবং রাখি নামের চার অভিযুক্তকে শ্রীঘরে পাঠিয়েছে।