তেহরানে জোর হামলা ইজরায়েলের, পাল্টা ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে পরিস্থিতি এখন অগ্নিগর্ভ। তেহরানের আকাশে যখন একের পর এক ইজরায়েলি মিসাইল আছড়ে পড়ছে, ঠিক তখনই পালটা চাঞ্চল্যকর পদক্ষেপ নিল ইরান। ইজরায়েলের এই দুঃসাহসিক হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তুরস্কে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে তেহরান। দুই দেশের এই সরাসরি সংঘাতে এখন কার্যত তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে।
ইজরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস বা আইডিএফ (IDF) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, এবারের হামলার লক্ষ্য কোনো সাধারণ স্থাপনা নয়, বরং সরাসরি ইরান সরকারের শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিকেশ করা। সোমবার যখন তেহরানের রেভোলিউশন স্কোয়্যারে কয়েক হাজার মানুষ আমেরিকার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে শামিল হয়েছিলেন, ঠিক সেই সময়ই ঘন ঘন বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। হামলার পরিধি আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়ে ইজরায়েল জানিয়েছে, ইরানকে এর চরম মূল্য দিতে হবে।
অন্যদিকে, ইরানও দমে যাওয়ার পাত্র নয়। ইজরায়েলি আগ্রাসনের জবাব দিতে তারা বেছে নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার কৌশলগত অবস্থানকে। তুরস্কের মাটিতে মার্কিন সেনাঘাঁটিতে ইরানের এই আকস্মিক হামলা পেন্টাগনের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। তেহরানের দাবি, ইজরায়েলের প্রতিটি আঘাতের বদলা নেওয়া হবে দ্বিগুণ শক্তিতে। দুই দেশের এই আক্রমণ ও পালটা আক্রমণের জেরে গোটা বিশ্বের নজর এখন তেহরান ও আঙ্কারার দিকে। পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে, তা নিয়েই এখন তীব্র উত্তেজনা তুঙ্গে।