ইরানের পরবর্তী নেতা নির্বাচন নিজের পছন্দ মত করতে চান ট্রাম্প

ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগতভাবে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট নিয়োগের মতো ইরানের ক্ষেত্রেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চান। ট্রাম্পের মতে, প্রয়াত আলি খামেনির ছেলে মুজতবা খামেনির ক্ষমতায় আসা ‘অগ্রহণযোগ্য’, কারণ তিনি শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সক্ষম হবেন না।
ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, খামেনির নীতি অনুসরণকারী কেউ ক্ষমতায় বসলে যুক্তরাষ্ট্র পাঁচ বছরের মধ্যে পুনরায় যুদ্ধে জড়াতে বাধ্য হবে। তিনি ইরানে এমন একজন নেতা চান যিনি দেশটিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবেন। বর্তমানে উত্তরসূরি হিসেবে মুজতবা খামেনির নাম শোনা গেলেও ট্রাম্প তাকে ‘দুর্বল’ বলে অভিহিত করেছেন। এদিকে, ২০২৪ সালে খামেনি বংশগত পরিবর্তনের বিরোধিতা করলেও মুজতবার উপর আগে থেকেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ স্পষ্ট করেছেন যে, তাদের লক্ষ্য ইরানে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন নয়, বরং ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক হুমকি নির্মূল করা। এরই মধ্যে প্রয়াত শাহের পুত্র রেজা পাহলভি ইসলামী প্রজাতন্ত্রের যেকোনো নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে অবৈধ বলে ঘোষণা করেছেন এবং একটি ধর্মনিরপেক্ষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন। গত শনিবার মার্কিন-ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৮৬ বছর বয়সে আলি খামেনির মৃত্যুর পর এই নেতৃত্ব সংকট ঘনীভূত হয়েছে।